যশোরের মনিরামপুরে অপহরণের পাঁচ ঘণ্টা পর সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে জিম্মিদশা থেকে নিজ বুদ্ধিমত্তায় পালিয়ে রক্ষা পেল নাইম হোসেন নামে এক স্কুলছাত্র। নাইম উপজেলার খেদাপাড়া ইউনিয়নের গরিবপুর গ্রামের কৃষক মহসিন আলীর একমাত্র ছেলে ও হেলাঞ্চী কৃঞ্চবাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরিক্ষার্থী।

নাইমের বাবা মহসিন আলী জানান, প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে তিনটার দিকে তরি ছেলে বাড়ি থেকে হেটে হেলাঞ্চী গ্রামের শিক্ষক হেলাল উদ্দিনের কাছে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশে রওনা হয়। 

নাইম জানায়, পথে গরিবপুর শ্বশ্মানঘাটের কাছে পৌঁছালে পেছন থেকে দুইটি মোটরসাইকেলে করে চারজন এসে তার গতিরোধ করে। পরে তার মুখ বেঁধে জোড় করে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে যায়। 

সে জানায়, অপহরণের পর তাকে নিয়ে যশোর শহরের উপশহর এলাকায় তিনতলা একটি ভবনের নিচের পরিত্যক্ত একটি কক্ষে রাখা হয়। এসময় ওই কক্ষে তার বয়সী আরো দুই কিশোরকে রাখা হয়। 

নাইম জানায়, সন্ধ্যার দিকে অপহরনকারী দুই যুবক তার মোবাইল থেকে বাবার কাছে মুক্তিপণ হিসেবে ২০ হাজার টাকা দাবি করে। এক পর্যায়ে রাত আটটার দিকে পরিত্যক্ত ওই কক্ষের ভেন্টিলিটার ভেঙে সে পালিয়ে আসে। তবে ওই কক্ষে থাকা অপর দুই কিশোর সম্পর্কে নাইম কিছুই বলতে পারেনি। 

এক প্রশ্নের জবাবে নাইমের বাবা জানান, তার সঙ্গে কারো কোন শত্রুতা নেই। 

মনিরামপুর থানার ওসি (তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান জানান, বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিষয় : অপহরণ স্কুলছাত্র

মন্তব্য করুন