রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লিফটে কলেজছাত্রী রুবাইয়া ইসলাম রিমুর লাশ ফেলে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তদন্তে নেমেছে পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। এটি হত্যা না দুর্ঘটনা- বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছেন তারা।

নীলফামারীর জলঢাকা থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান বলেন, রুবাইয়ার মৃত্যু রহস্য উদ্‌ঘাটনের জন্য থানা পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, পিবিআই, সিআইডি মাঠে নেমেছে। অভিযুক্ত ফয়সালের সঙ্গে রুবাইয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে তারা জানতে পেরেছেন। গত সোমবার রুবাইয়া আঘাতপ্রাপ্ত হলে ফয়সাল তার বন্ধু রিজভীকে ডেকে আনে। পরে রিজভী ও ফয়সাল মেয়েটিকে নিয়ে হাসপাতালে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফয়সালকে গ্রেপ্তারের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

গত সোমবার সন্ধ্যায় নীলফামারীর জলঢাকার কচুকাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা রংপুর কারমাইকেল কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী রুবাইয়া ইসলাম রিমুকে মৃত অবস্থায় রেখে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লিফটে ফেলে পালিয়ে যায় দুই তরুণ ফয়সাল ও রিজভী। স্বজনদের অভিযোগ- প্রেমে সাড়া না দেওয়ায় রুবাইয়াকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জলঢাকা থানায় মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর বাবা আব্দুর রাজ্জাক।