চট্টগ্রামের আলোচিত কোকেন মামলায় চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা লে. কমান্ডার নেজাম উদ্দিনসহ আরও তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালতে সাক্ষ্য দেন তারা। অপর দুই সাক্ষী হলেন মো. মহিউদ্দিন ও মাহাবুবুর রহমান। তারা তিনজনই জব্দ তালিকার সাক্ষী।

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মহানগর পিপি অ্যাডভোকেট ফখরুদ্দিন চৌধুরী জানান, আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে বন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা লে. কমান্ডার নেজাম উদ্দিন জানিয়েছেন, তার সামনে কনটেইনার ও ড্রাম খুলে আলামত সংগ্রহ করা হয়। পরে ড্রামগুলো সিলগালা করা হয়। ওই ড্রামেই কোকেন পাওয়া যায়। এ মামলায় এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপক্ষ ১০ জন সাক্ষী আদালতে হাজির করেছে। আগামী ১৪ মার্চ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।

২০১৫ সালের ৭ জুন চট্টগ্রাম বন্দরে থাকা একটি কনটেইনার জব্দ করে সিলগালা করে দেয় কাস্টমসের শুল্প গোয়েন্দা অধিদপ্তর। পরে পরীক্ষা করে সেখানে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। ২৮ জুন বন্দর থানায় আমদানিকারক খানজাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ ও গোলাম মোস্তফা সোহেলকে আসামি করে মাদক আইনে একটি মামলা করে পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে মামলায় চোরাচালানের ধারা যুক্ত করা হয়। 

এ মামলার অভিযোগপত্রে মোট ৬৭ জন সাক্ষী রাখা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি নুর মোহাম্মদ ভারতে পালিয়ে গেছেন। তার ভাই মোস্তাক আহমেদ এবং অপর দুই আসামি লন্ডনপ্রবাসী ফজলুর রহমান ও বকুল মিয়া পলাতক। বাকি ছয় আসামির মধ্যে গোলাম মোস্তফা সোহেল ও আতিকুর রহমান কারাগারে; চার আসামি জামিনে রয়েছেন।