নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে 'খুনি মির্জা' আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগ।

শনিবার গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে পাঠানো উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর নবী চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে মিজানুর রহমান বাদলের নিঃশর্ত মুক্তিও চাওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের ওপর নিষ্ঠুর ও বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে গত মঙ্গলবারের (৯ মার্চ) প্রতিবাদ সভায় মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। শ্রমিক লীগ কর্মী আলাউদ্দিনের (সাবেক যুবলীগ কর্মী ও চর ফকিরা ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি) নৃশংস হত্যার “মাস্টারমাইন্ড” খুনি মির্জাকে (আবদুল কাদের মির্জা) অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।’ 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের নিঃশর্ত মুক্তি চাই।

বসুরহাটে মঙ্গলবারের সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি এখনও থমথমে। এলাকাজুড়ে ব্যাপক সংখ্যায় পুলিশের টহল। তবু ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের আতঙ্ক কাটছে না। বাজারও আর আগের মতো জমছে না। দোকানপাট ঠিকমতো খুলছে না।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে জানান, আগে রাত ১টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা থাকলেও গত দুই মাস ধরে সন্ধ্যা নামলেই বাজারে নীরবতা নেমে আসে।

বণিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যেসব ব্যবসায়ী নানাভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তারা গ্রেপ্তার আতঙ্কে দোকানপাট খুলছেন না। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

বিষয় : বসুরহাট পৌরসভা আবদুল কাদের মির্জা

মন্তব্য করুন