সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, ফেনীর অপরাজনীতির হোতা নিজাম হাজারী দু'জনকে গুলি করে হত্যা করেছে। 

নোয়াখালীর অপরাজনীতির হোতা একরামুল চৌধুরী ২৪ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে। তাদের গুলিতে ২৬ জন মায়ের বুক খালি হয়েছে। আমি কারও রক্তচক্ষুকে ভয় করি না। এ উপজেলায় যত ঘটনা ঘটেছে বিচার বিভাগীয় বা ডিজিএফআই ও এনএসআই দিয়ে তদন্ত করতে হবে। পিবিআইকে মামলার তদন্ত করতে দেওয়া হয়েছে। নোয়াখালীর পুলিশ সুপার পিবিআইকে প্রভাবিত করে মামলা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করছেন।

বুধবার সকালে বসুরহাট বাজারে বঙ্গবন্ধু চত্বরের বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর সময় তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের মির্জা বলেন, আজকে এখানে যে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চলছে তা একতরফা। আমরা আদালতে গিয়ে মামলা করেছি। একটা আসামিও গ্রেপ্তার হয়নি। আমরা থানায় মামলা দিয়েছি, আমাদের মামলা নেয়নি। অথচ গত কয়েক দিনে আমাদের ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ ও দাঙ্গা পুলিশ।

তিনি বলেন, আজকে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর সব অনুষ্ঠান প্রজ্ঞাপন জারি করে জেলা প্রশাসক বন্ধ করে দিয়েছেন। এটা পৌরসভার বিরুদ্ধে, দলের বিরুদ্ধে, আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। এটা কোনো অবস্থাতেই মেনে নেওয়া যায় না।

কাদের মির্জা ৯ মার্চ বসুরহাট বাজারে সহিংসতার ঘটনাকে কালরাত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বসুরহাট পৌর ভবনে প্রায় দুই হাজার গুলি করেছে। একটা লোককেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। বসুরহাট বাজারে ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের বাড়িতে ডিবি পুলিশ ও কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ হানা দিচ্ছে। বসুরহাট বাজারের ব্যবসায়ীরা যখন অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন, তখন পুলিশ তাদের ওপর হামলা করে, গ্রেপ্তার করে।

তিনি বলেন, নোয়াখালীর পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক, নোয়াখালীর যেসব ডিবির ওসি, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি এদের প্রত্যাহার না করলে কোম্পানীগঞ্জে শান্তি আসবে না।

বিষয় : মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বসুরহাট পৌরসভা অপরাজনী

মন্তব্য করুন