টানা তিন দিন পরিদর্শন শেষে শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের উদ্দেশে নোয়াখালীর ভাসানচর ত্যাগ করে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল। এর আগে গত বুধবার চট্টগ্রাম থেকে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ইউএনএইচসিআর বাংলাদেশের সহকারী প্রতিনিধি ফুমিকো কাশিওয়ার নেতৃত্বে ১৮ জনের দল ভাসানচর পৌঁছায়।

ভাসানচর প্রকল্পের (আশ্রয়ণ প্রকল্প-৩) উপপ্রকল্প পরিচালক কমান্ডার এম আনোয়ারুল কবির বলেন, আমরা যা জেনেছি, সব মিলিয়ে ভাসানচরের প্রকল্পটি দেখে যথেষ্ট সন্তুষ্ট হয়েছে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল। তিনি জানান, প্রতিনিধি দল টানা তিন দিন ভাসানচরের পরিবেশ, আবাসন, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রসহ বেড়িবাঁধ ঘুরে দেখে। 

এ ছাড়া সেখানে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের দেওয়া সুযোগ-সুবিধা পর্যবেক্ষণ করে। ভাসানচরে যেসব এনজিও কার্যক্রম চালাচ্ছে, তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছে প্রতিনিধি দল। এমনকি এখানে যেসব কাপড় বানানো হচ্ছে, সেগুলোর মান দেখে সন্তেুাষ প্রকাশ করেন তারা।

রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ জানান, ভাসানচর পরিদর্শনকালে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল কপবাজার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে বারবার জানার চেষ্ট করেছিল তাদের জোর করে পাঠানো হয়েছিল কিনা। কিন্তু রোহিঙ্গারা বলেছেন, তারা স্বেচ্ছায় ভাসানচর গেছেন, তাদের কেউ জোর করেননি।

ভাসানচরে অবস্থানরত নুরুল ইসলাম মোবাইল ফোনে জানান, জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেছে। 

এ সময় তারা তাদের খোঁজখবর নেন। আরআরআরসি কার্যালয়ের তথ্যমতে, গত ডিসেম্বর থেকে পাঁচ দফায় ভাসানচর গেছেন মোট ১৩ হাজার ৭২৩ জন রোহিঙ্গা।