গাইবান্ধা শহরের থানাপাড়ার বাসিন্দা আফজাল সুজের সাবেক মালিক হাসান আলীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মাসুদ রানাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। 

রোববার দলীয় কার্যালয়ে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু বকর সিদ্দিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিফ্রিংয়ে জানানো হয়, শনিবার বিভিন্ন গণ্যমাধ্যমে প্রকাশিত জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মো. মাসুদ রানার বাসায় অনাকাঙ্খিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। 

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পিয়ারুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর জামান রিংকু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দুলাল, ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক মো. আব্দুল লতিফ আকন্দ প্রমুখ।

এদিকে এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গাইবান্ধা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রোববার সকালে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম এ তথ্য জানান। এই তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রাহাত গাওহারী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেড কোয়ার্টার আবু খায়ের ও পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল লতিফ। আগামী ৭ কার্যদিবসে ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে হবে তাদের।

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানান, এই ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। এব্যাপারে আটক মাসুদ রানাকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও এই ঘটনায় মামলা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

তিনি বলেন, এই ঘটনায় পুলিশ সদস্যসহ অন্য যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের কাউকেই নূন্যতম ছাড় দেওয়া হবে না। বরং দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

প্রেস বিফ্রিংয়ে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেড কোয়ার্টার আবু খায়ের, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) আবু লাইচ মো. ইলিয়াছ জিকু, পুলিশ পরিদর্শক (ডিআইওয়ান) মো. আব্দুল লতিফ প্রমুখ।