চট্টগ্রামে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়তে থাকায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। সেমাবার স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা না মানায় পাঁচলাইশ, চান্দগাঁও, খুলশী, পতেঙ্গা ও বায়েজিদ থানার ৩০টি হোটেল-রেস্টুরেন্টকে সাড়ে ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছয় জন ম্যাজিস্ট্রেট সকাল-বিকেল দুই শিফটে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

নগরের কোতোয়ালি সদরঘাটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন শেরে বাংলা রেস্তোরাঁকে দুই হাজার টাকা, হানিফ হোটেলকে দেড় হাজার টাকা, মাওলানা হোটেল অ্যান্ড বিরানি হাউসকে দেড় হাজার টাকা, বাঙালিয়ানা রেস্তোরাঁকে পাঁচ হাজার টাকা, হোটেল হান্নান আল ফয়েজকে চার হাজার টাকা, হাজী বিরিয়ানি হাউজকে এক হাজার টাকা ও উজালা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে তিন হাজার টাকাসহ মোট ৭টি মামলায় ১৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন। 

পতেঙ্গা এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস জিম সেন্টারকে পাঁচশ টাকা, সাহেববাবু বৈঠকখানা ও সি মারমেই রেস্তোরাঁকে পাঁচশ টাকা, পতেঙ্গা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে এক হাজার টাকা এবং পোডামাটি রেস্টুরেন্টকে দুই হাজার টাকাসহ ছয়টি মামলায় মোট ৪ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করেন। 

খুলশী এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আতিকুর রহমান জামান হোটেলকে দুই হাজার টাকা, নিউ মালঞ্চ রেস্টুরেন্টকে পাঁচশ টাকা, ভাতঘর হোটেলকে পাঁচশ টাকা, নুর মোহাম্মদ হোটেলকে পাঁচশ টাকা জরিমানা করেছেন। 

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক বায়েজিদের জালালাবাদ হোটেলকে তিন হাজার টাকা, এরিটস ফুডটসকে দুই হাজার টাকা, হোটেল প্যরাগনকে পাঁচ হাজার টাকা, মা কুলিং কর্নারকে এক হাজার টাকা, সাতকানিয়া কুলিং কর্ণারকে দুই হাজার টাকা, ইজি মালঞ্চকে এক হাজার টাকা, হাজী বিরানিকে পাঁচশ টাকা, মালঞ্চকে পাঁচশ টাকা জরিমানা করেন। 

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামনুন আহমেদ অনিক পাঁচলাইশ সাতটি হোটেলকে পাঁচ হাজার সাতশ টাকা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা আফরোজ চকবাজার এলাকায় তিনটি হোটেলকে দুই হাজার তিনশ টাকা জরিমানা করেন।