চট্টগ্রামের পটিয়া থানায় তান্ডব সৃষ্টির ঘটনায় হেফাজতের আরও পাঁচ কর্মীকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার তাদেরকে আদালতে হাজির করলে জেল হাজতে পাঠানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগে সোমবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সুজন মেম্বার (৩৫), উপজেলার জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের উজিরপুর গ্রামের লেয়াকত আলী (৩৫), উপজেলার জিরি ইউনিয়নের তৌহিদুল আলম (৩৬) ও মোহাম্মদ শাহজাহান (৪৮) এবং উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের বাড়ৈকাড়া গ্রামের মঞ্জুর চৌধুরী (৩৬)।

এ নিয়ে পটিয়া থানায় হামলা ও নাশকতার ঘটনায় গত বুধবার রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত হেফাজতের ১৫ কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হলো। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ২ জন, শনিবার ৫ জন, রোববার রাতে ৩ জন ও সোমবার রাতে ৫ জন হেফাজতের কর্মীকে আটকের পর জেলে পাঠানো হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদার জানান, সহিংসতা ও নাশকতা সৃষ্টির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পাঁচজন হেফাজত কর্মীকে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আটক করে। পরে আদালত তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ বিকেল ৪টায় হেফাজতের কর্মীরা বিক্ষোভের সময় থানার সিকিউরিটির রুমের গ্লাস ও লাইট ভাঙচুর করে। ঘটনার একদিন পর হরতালেও লাঠিসোঁটা নিয়ে সড়ক ও রেলপথ দখল করে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয়। এ ঘটনায় গত ৩১ মার্চ রাতে পটিয়া থানার উপ পরিদর্শক মো. বোরহান উদ্দিন বাদী হয়ে হেফাজতের ৭০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ভাঙচুরের মামলা দায়ের করেন।

মন্তব্য করুন