গাজীপুরের কালীগঞ্জে গরু চুরির ঘটনায় একটি চক্রকে গণপিটুনিত দেওয়া হয়েছে, এতে একজন নিহত হয়েছেন।

সোমবার ভোরে উপজেলার নাগরী ইউনিনের উলুখোলা এলাকার বড়কাউ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গণপিটুনিতে আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন- হলো বগুড়ার সদর উপজেলার ক্ষেত্রদামা এলাকার বাবলার ছেলে দেলোয়ার হোসেন (২৮), একই জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা গেওনা ভিন্নত এলাকার আক্তারের ছেলে নাহিদ মিয়া (৩০), একই উপজেলার তাতভৈরা এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে হাসান আলী (৩০), নওগাঁর তেজনন্দী পাতবাইন এলাকার মান্নানের ছেলে গাজী হোসেন (৩৫) ও টাঙ্গাইলের ফজর আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৬)। তবে নিহতের নাম পরিজয় এখনো জানা যায়নি।

সমকালকে দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালীগঞ্জ থানার ওসি একেম মিজানুল হক।

ওসি জানান, ভোরে বড়কাউ গ্রামের বাসিন্দা কাউছারের বাড়ি থেকে দুটি গাভী ও একটি বাছুর চুরি করে নিয়ে যাচ্ছিল একটি গরু চোর চক্র। পথে একই এলাকার কালিকুঠি গ্রামে সামজিকভাবে পাহাড়া দেওয়া লোকদের কাছে ধরা পরে তারা। এ সময় তাদের হইচই শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে এবং স্থানীয় মসজিদে মসজিদে মাইকিং করে।

পরে মাইকিং শুনে আশপাশের কয়েক গ্রামের লোকজন এসে তাদের গণপিটুনি দিতে শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হয় আরো পাঁচজন। এছাড়াও একই চক্রের আরো কয়েকজন চোর পিকআপ নিয়ে পালিয়ে গেছে। 

তিনি আরো জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশে গিয়ে উত্তজিত এলাকাবাসীকে শান্ত করে এবং আহতদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এছাড়াও মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। 

ওসি মিজান জানান, আহত পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক তাই তাদের উন্নত চিবিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য একই হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক রাশিদুল হাসান জানান, আহত পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাই তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপতালে পাঠানোর পমামর্শ দেওয়া হয়েছে।


বিষয় : গাজীপুর গণপিটুনি

মন্তব্য করুন