লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বন বিভাগের অধস্তন তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়ী করে প্রতিবেদন দিয়েছে তদন্ত কমিটি। প্রতিবেদনে ১০টি পর্যবেক্ষণ উল্লেখ থাকলেও আগুনের সূত্রপাতের কারণ সম্পর্কে কোনো মতামত দেওয়া হয়নি। 

মঙ্গলবার বিকেলে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। গত শনিবার দুপুর ১২টার দিকে হঠাৎ কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বাঘমারা এলাকায় আগুন লাগে। কমলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ওই দিন দুপুর ২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এরই মধ্যে উদ্যানের প্রায় তিন একর বনাঞ্চল পুড়ে যায়। এরপর বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ শ্রীমঙ্গলের সহকারী বন সংরক্ষক মির্জা মেহেদী সরোয়ার ও বন মামলার পরিচালক জুলহাস উদ্দিনের সমন্বয়ে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত প্রতিবেদনে দায়ী ব্যক্তিরা হলেন বন বিভাগের লাউয়াছড়া বিট অফিসার মিজানুর রহমান, বনপ্রহরী মো. মোতাহার হোসেন ও পেট্রোল ডিউটির দায়িত্বরত মো. হারুন।

সিলেট বিভাগীয় বন সংরক্ষক (বন্যপ্রাণী) রেজাউল করীম চৌধুরী সমকালকে বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে অগ্নিকাণ্ড সম্পর্কে ১০টি বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ নেই। তিনি আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় বন বিভাগের যে তিন ব্যক্তির দায়িত্বে অবহেলার কথা বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।


বিষয় : লাউয়াছড়া উদ্যান আগুন তদন্ত কমিটি

মন্তব্য করুন