নোয়াখালীর সুবর্ণচরে হমালার শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার আছিয়া বেগম জোৎস্না উপজেলার ২নং চরবাটা ইউনিয়নের নূর মোহাম্মদ মাস্টার বাড়ির মো. মোসলেম উদ্দিনের স্ত্রী। তিনি নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জোৎস্নার মাথা ব্যান্ডেজে মোড়ানো। 

এ ঘটনায় গৃহবধূর ছোটভাই ফোরকান উদ্দিন সুজন বাদী হয়ে চরজব্বার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে অভিযোগটি এখনও মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়নি বলে সমকালকে জানান চরজব্বার থানার ওসি জিয়াউল হক। তিন শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় টেলিফোনে সমকালকে বলেন, 'বৃহস্পতিবারের হামলার ঘটনায় শুক্রবার রাত ১০টার দিকে গৃহবধূর ছোটভাই লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি। হামলার ঘটনা সত্য। ওই নারী হাসপতালে চিকিৎসাধীন। কিছু রুটিন কাজ শেষ করেই মামলা রেকর্ড করা হবে।'

গৃহবধূর ছোটভাই ফোরকান উদ্দিন সুজন জানান, ‌তার বোন বাড়িতে বসত ঘর তৈরি করছিলেন। চলাচলের রাস্তার জন্য ৯ ফিট জায়গা খালি রাখার পরও প্রতিবেশী বিএম জাকারিয়া স্বপন ঘর তুলতে বাধা দেন। বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে স্বপন হামলা চালান। এতে তার বোন মারাত্মক আহত হন। মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে দ্রুত নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হামলার সময় গহবধূ জোৎস্নার স্বামী মো. মোসলেম উদ্দিন বাড়িতে ছিলেন না। ফোরকান উদ্দিন সুজন বলেন, হামলাকারী জাকারিয়া স্বপন বেসরকারি একটি সংস্থার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা। তিনি তার ভাই ইয়াহিয়া শাওনকে নিয়ে নির্মাণাধীন ঘর ভাংচুর করেন। ইট দিয়ে আছিয়া বেগম জোৎস্নার মাথায় আঘাত করেন। 

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গৃহবধূ আছিয়া বেগম জোৎস্না বলেন, এই হামলার বিচার চাই।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সৈয়দ মহি উদ্দিন আব্দুল আজিম সমকালকে বলেন, গৃহবধূর মাথায় ১২টি সেলাই লেগেছে। এ ছাড়া শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন আছে। শুক্রবার তার সিটিস্ক্যান করা হয়েছে। সিটিস্ক্যান রিপোর্ট পাওয়ার আগে তিনি আশঙ্কামুক্ত কী না তা বলা যাচ্ছে না।

মন্তব্য করুন