পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে মঙ্গলবার ভোর থেকে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল করছে। ফেরি পারাপারের জন্য ঘাট এলাকায় শত শত যাত্রী অপেক্ষা করছে। 

ভোর ৫টা থেকে সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে ৪টি ফেরি যাত্রী ও ছোট যানবাহন নিয়ে দৌলতদিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। তবে ফেরি পারাপারের জন্য ঘাট এলাকায় শত শত যাত্রী ও কয়েকশ’ ছোট গাড়ি ফেরি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। 

জানা গেছে, সোমবার বিকেল ৫টার পর থেকে এ নৌরুটে স্বাভাবিকভাবে ফেরি চলাচলের ঘোষণা দেওয়ায় পাটুরিয়া ঘাটে ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের ঢল নামে। সেইসঙ্গে প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন ছোট গাড়ির চাপ বৃদ্ধি পায়। কিন্ত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল সীমিত করায় ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের ঘাট এলাকায় এসে ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।

স্বাভাবিক সময়ে এ নৌরুট দিয়ে দেশের দক্ষিণ-পশিমাঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষ ঈদের সময় বাড়ি ফিরে যান। ঈদের আগের ৩-৪ দিন প্রতিদিন গড়ে প্রায় ছোট বড় সাড়ে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার যানবাহন ও লাখ লাখ যাত্রী পারাপার হন। এদিকে এ নৌরুটের লঞ্চে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার যাত্রী পারাপার হয়। কিন্ত করোনাভাইরাসের কারনে এ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় ওই যাত্রীরা এবার ফেরিতে পারাপার হচ্ছেন। 

ঈদে ঘরেফেরা যাত্রীদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে শনিবার রাতে দিনে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। শুধু অ্যাম্বুলেন্স ও মরদেহের গাড়ি পারাপার করার জন্য ৩-৪টি ছোট ফেরি দুই-আড়াই ঘণ্টা পর পর চলাচল করতে থাকে। 

কিন্ত ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ দিন দিন বাড়তেই থাকে। ঘাটে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপের কারণে সোমবার বিকেল ৫টার পর থেকে এ রুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেওয়া হয় যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করার জন্য। এ ঘোষণার পর মঙ্গলবার সকাল থেকে পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রী ও ছোট যানবাহনের চাপ বেড়েছে। 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা অফিসের ডিজিএম জিল্লুর রহমান জানান, এ নৌরুটে দিনে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল করবে। বিকেল ৫টার পর থেকে সব ফেরি দিয়ে যাত্রী ও পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন পারাপার করা হবে।