সরকারি নির্দেশনা মেনে শনিবার রাজশাহীতে গুটি আম নামানো শুরু করেছেন চাষিরা। আম উঠতে শুরু করেছে বাজারেও। তবে লকডাউন ও ঈদের কারণে এখনও ঢাকার পাইকারি ব্যবসায়ীদের দেখা মেলেনি। তাই জমে ওঠেনি আমের হাট।

গত ৬ মে রাজশাহীর জেলা প্রশাসন জানায়, ১৫ মে থেকে গুটি আম, ২০ মে গোপালভোগ, ২৫ মে লখনা ও রানীপছন্দ, ২৮ মে হিমসাগর বা খিরসাপাত, ৬ জুন ল্যাংড়া, ১৫ জুন ফজলি ও আম্রপালি এবং ১০ জুলাই থেকে আশ্বিনা ও বারি-৪ আম নামানো যাবে। সে নির্দেশনা মেনেই দেশের সর্ববৃহৎ আমের হাট বানেশ্বরে শনিবার থেকে আম উঠছে।

রোববার চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, দু'দিনে মাত্র কয়েক মণ আম বিক্রি হয়েছে। হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই কম। চলমান লকডাউন এবং ঈদের ছুটির কারণে পাইকারি ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। তবে আম কম ওঠায় প্রথম দু'দিন দাম বেশ ভালোই ছিল। গুটি আম বিক্রি হয়েছে ৮০০ থেকে দুই হাজার টাকা মণ দরে।

বানেশ্বরের আড়তদার শামসুল আলম জানান, আম ওঠা শুরু হয়েছে। তবে ভালো জাতের আম উঠতে আরও দুই সপ্তাহ সময় লাগবে। তখন ঢাকাসহ সারাদেশের পাইকারি ব্যবসায়ীরা আসবেন। বাজার জমজমাট হবে।

এদিকে, প্রথম দু'দিন হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি কাউকে। অধিকাংশ মানুষই মাস্ক পরেননি। শারীরিক দূরত্বও মানা হয়নি।

এ বিষয়ে বানেশ্বর হাটের ইজারাদার ওসমান আলী বলেন, গত বছরও আমের হাটে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়েছে, এবারও হবে। তবে এখনও মানুষ তেমনভাবে আসতে শুরু করেননি।

পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ বলেন, হাটে স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নে প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। তিনি জানান, চাষিদের কথা বিবেচনায় লকডাউনের মধ্যেও ট্রেন ও পোস্ট অফিসের কাভার্ডভ্যান ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে সরকার। এ ছাড়া কুরিয়ারের মাধ্যমেও আম পরিবহন করা যাবে।


বিষয় : রাজশাহী আম

মন্তব্য করুন