প্রতিশোধ নিতে স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিকের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী শাহিনুর খাতুনকে হত্যা করেন প্রতিবেশী মতিউর রহমান। বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ভবানীপুর কারিগরপাড়া গ্রামে ২ জুন রাতে ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় শাহিনুর খাতুনকে গলা কেটে করে হত্যা করা হয়। বৃহস্পতিবার মতিউরকে গ্রেপ্তারের পর শাহিনুর খাতুনের হত্যা রহস্য সম্পর্কে জানা যায়।

এর আগে নিহত শাহিনুরের স্বামী রাশিদুল ইসলাম ও মতিউর রহমানের স্ত্রী আসমা বেগমকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) তারেক জুবায়ের জানান, পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে অপরাধ স্বীকার করেছেন মতিউর রহমান। 

মতিউর রহমান স্বীকারোক্তিতে জানিয়েছেন, রাশেদ তার স্ত্রী আসমাকে নিয়ে ঢাকায় পালিয়ে যায়। এতে তার আক্রোশ বেড়ে যায় এবং রাশেদের ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার উপায় খুঁজতে থাকেন। এরই মধ্যে ২ জুন রাতে রাশেদের মা, ছেলে রশিদ, ছেলের বৌ ও নাতনী পার্শ্ববর্তী গ্রামে কবিগান শুনতে যায়। শাহিনুর খাতুন তার ১ বছরের ছেলে সন্তানকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে পড়ে। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শাহিনুর খাতুনের ঘরে ঢুকে গরুর ঘাসকাটা হাসুয়া নিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় শাহিনুর খাতুনের গলা কেটে দেন এবং হাসুয়াটি বাড়ির পাশের বড়াল খালের ঝোপে ফেলে দেন। 

পুলিশ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ওই হাসুয়াটি উদ্ধার করেছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকতারাও উপস্থিত ছিলেন।

বিষয় : নাটোর রাজশাহী হত্যা পরকীয়া

মন্তব্য করুন