করোনা প্রতিরোধে জনগণের সকল অংশকে আগামী তিনমাসের মধ্যে ভ্যাকসিন প্রদানের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। নেতারা বলেছেন, মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের অন্য অনুষঙ্গগুলো জরুরি হলেও করোনা রোধে এই মূহুর্তে ভ্যাকসিনই হচ্ছে প্রধান বিকল্প। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে, বাংলাদেশ প্রথমদিকেই গণটিকা কার্যক্রম শুরু করতে পারলেও এখন ভ্যাকসিন আনাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সরকারি মহল থেকে এ বিষয়ে নানা আশাবাদ শোনানো হলেও বাস্তবে সেটা দেখা যাচ্ছে না।

শুক্রবার ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এই দাবি জানানো হয়। দলের সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপির সভাপতিত্বে সভায় সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি করোনা মোকাবিলায় জনগণের পাশে দাঁড়াতে দলের ১৮ দফা নির্দেশনা কর্মসূচি তুলে ধরেন। আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নেতা আনিসুর রহমান মল্লিক, সুশান্ত দাস, মাহমুদুল হাসান মানিক, নুর আহমেদ বকুল, কামরূল আহসান, ইব্রাহিম খলিল, দিপঙ্কর সাহা দিপু, অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম হক্কানী, অ্যাডভোকেট লোকমান হোসেন, জাকির হোসেন রাজু প্রমুখ।

সভার প্রস্তাবে করোনা সংক্রমণে শিক্ষাব্যবস্থায় সৃষ্ট বিপর্যয় উত্তরণে জরুরিভিত্তিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনের আওতায় এনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে এই মহামারির প্রভাবে বিধ্বস্ত দরিদ্র ও শ্রমজীবীদের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রদান, ভ্যাকসিন প্রাপ্তি সহজীকরণ, আগামী ছয় মাস পাঁচ হাজার টাকা নগদ সহায়তা প্রদান এবং সামাজিক সুরক্ষার আওতায় সার্বজনীন পেনশন চালুর দাবি জানানো হয়।

বিষয় : ওয়ার্কার্স পার্টি করোনা ভ্যাকসিন

মন্তব্য করুন