কোভ্যাক্সের আওতায় বাংলাদেশ ১০ লাখ ৮০০ ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা পাচ্ছে। আগস্ট মাসের মধ্যেই এই টিকা দেবে আসবে বলে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি সমকালকে বলেন, 'টিকার বিষয় নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের সঙ্গে প্রায়ই কোভ্যাক্সের চিঠি চালাচালি হয়। প্রথম ডোজ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সাড়ে ১৩ লাখের জন্য দ্বিতীয় ডোজের মজুদ নেই- এটি কোভ্যাক্সকে জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের এই সংকট দূর করার তাগাদাও দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে আজ কোভ্যাক্স থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। ওই চিঠিতে আগামী আগস্ট মাসের মধ্যেই অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ১০ লাখ ৮০০ ডোজ দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। আশা করি ওই সময়ের মধ্যেই টিকা চলে আসবে।'

কোভ্যাক্সের আওতায় বাংলাদেশ ১০ লাখ ৮০০ ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা পাচ্ছে বলে এর আগে শুক্রবারই জানিয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনাভাইরাসের টিকা দিয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি দেশে গণটিকাদান কর্মসূচি চালু করা হয়। সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে তিন কোটি ডোজ টিকা আনার বিষয়ে চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী ছয় মাসে এসব টিকা আসার কথা ছিল। তবে সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে দুই চালানে মোট ৭০ লাখ টিকা পায় বাংলাদেশ। এর বাইরে ভারত সরকারের উপহার হিসেবে পাওয়া যায় ৩৩ লাখ ডোজ টিকা। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ায় গত মার্চে টিকা রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে ভারত। এতে বাংলাদেশ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে। ইতোমধ্যে টিকার প্রথম ডোজ নেওয়া প্রায় ১৫ লাখ ব্যক্তির দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।