লকডাউন বাস্তবায়নে নারায়ণগঞ্জে সব ধরণের যানবাহন প্রবেশ ও বের হওয়া ঠেকাতে কঠোর ছিল নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ।

নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. জায়েদুল আলম সমকালকে জানান, নারায়ণগঞ্জে যানবাহন প্রবেশ রোধে নগরের চাষাঢ়া রাইফেল ক্লাবের সামনে, সাইনবোর্ডে এবং সোনারগাঁয়ের মেঘনা টোলপ্লাজা এলাকায় কড়া পুলিশ পাহারা ছিল। সোনারগাঁয়ের মেঘনা টোল প্লাজা ও সাইনবোর্ড এলাকা থেকে কয়েকশ প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, বাস ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েন বিভিন্ন ব্যাংকে কর্মরত ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা। শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলা রেখে যানবাহন বন্ধ রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ।

ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা গোলাম সারোয়ার বলেন, ‘যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় নিজের গাড়ি নিয়েও ঢাকায় যাবার অবস্থা নেই। তাই বাধ্য হয়ে ভেঙ্গে ভেঙ্গে ঢাকায় যেতে হয়েছে। এতে সময় ও অর্থ দুটোই বেশি ব্যয় হয়েছে।’ 

মঙ্গলবার সকালে শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌকা পারাপারও বন্ধ রাখা হয়েছে।

এতে বন্দর উপজেলার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ শহরের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে নৌকা চলাচলের অনুমতি দেয় প্রশাসন।

নারায়ণগঞ্জ নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রথম দিকে একটু কড়াকড়ি করা হলেও পরে নৌকা চলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া হয়েছে। কারণ জেলায় বিভিন্ন কলকারখানা খোলা রয়েছে। অনেক শ্রমিক বন্দরে বসবাস করেন।’



বিষয় : লকডাউন নারায়ণগঞ্জ জনদুর্ভোগ

মন্তব্য করুন