ফেনীর সোনাগাজীতে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর আত্মহত্যার পর তার গর্ভজাত সন্তানের পিতৃপরিচয় মিলেছে ডিএনএ পরীক্ষায়।

পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর অভিযুক্ত আবু ইউসুফ নয়নকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। 

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, সোনাগাজীর একটি গ্রামের স্কুলছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল নয়নের। নয়ন ‘বিয়ের প্রলোভনে’ কিশোরীকে একাধিকবার ‘ধর্ষণ’ করে। চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলেও নয়ন তা অস্বীকার করে।পরে গত বছরের ২৮ নভেম্বর কিশোরী বিষজাতীয় ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করে।

ওই ঘটনায় কিশোরীর বাবা সোনাগাজী থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। 

সেই মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ পাঁচ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য সিআইডিতে পাঠায়।গত বুধবার ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল আসে। তাতে প্রমাণ মিলে, নয়নই কিশোরীর গর্ভজাত সন্তানের পিতা।

সোনাগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম পলাশ সমকালকে জানান, বৃহস্পতিবার সকালে নয়নকে গ্রেপ্তারের পর ফেনীর আদালতে সোপর্দ করেছেন। আদালতে সে স্বপ্রণোদিত হয়ে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।