ঘাতক করোনাভাইরাস কেড়ে নিল ৪৫ বছর বয়সী যমজ ভাইবোনের জীবন। তারা দু'জনই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত শনিবার মারা যান মফিজুর রহমান।

এর দু'দিন পর সোমবার না ফেরার দেশে চলে যান বোন আশুরা খাতুন সাথীও। তারা যশোরের শার্শা উপজেলার বড়বাড়িয়া গ্রামের ফরিদ মোড়লের সন্তান।

মৃতের বড় ভাই বাগআঁচড়া ডা. আফিল উদ্দিন কলেজের অধ্যাপক আতিয়ার রহমান বলেন, প্রথমে মফিজুর রহমান করোনায় আক্রান্ত হয়। ভাইকে দেখাশোনা করার জন্য বোন হাসপাতালে ছিল। পরে বোনও আক্রান্ত হয়।

মফিজুর রহমান দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জনক। তার বড় মেয়ে খাদিজা মইন আঁখি বলেন, করোনা সংক্রমণে কিডনি ও হার্টের সমস্যা দেখা দেওয়ায় বাবাকে ২৩ জুন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ২৮ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে রাখা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শনিবার তিনি মারা যান।

আশুরা খাতুন সাথীর স্বামী আব্দুল আজিজ বলেন, তার শ্যালকের সংস্পর্শে থাকায় স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হন। শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মারা যান। সাথী এক ছেলে ও দুই মেয়ের জননী।