মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে ঈদে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের ক্রমাগত ভিড় জমছে। রোববার সকাল থেকেই যাত্রীদের চাপ বাড়ছে। শিমুলিয়া বন্দরের পার্কিং ইয়ার্ড ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ৬ শতাধিক পণ্যবাহী যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

এদিকে, পদ্মায় তীব্র স্রোত থাকায় শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ফেরি চলাচলে আগের চেয়ে বেশি সময় লাগছে। বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের মেরিন কর্মকর্তা আলী আহমেদ জানান, পদ্মায় স্রোত ও পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিন-চার কিলোমিটার ঘুরে ফেরি চলাচল করছে। এতে সময় ও জ্বালানি তেল খরচ বেশি হচ্ছে। সেই সঙ্গে ঢাকা থেকে যাত্রী, যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী যানবাহন ঘাটে এসে অপেক্ষা করছে।

বিআইডব্লিউটিএ শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী পরিচালক সাহাদাত হোসেন জানান, এ নৌপথে ৮৩টি লঞ্চ চলাচল করছে। অর্ধেক যাত্রী নিয়ে লঞ্চগুলো যাতায়াত করছে। কিন্তু যাত্রীরা অতিরিক্ত বোঝাই হয়ে চলাচল করতে চাওয়ায় শেষ পর্যন্ত লঞ্চঘাটে পুলিশ কন্ট্রোল রুম বসানো হয়েছে। লৌহজং উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির ঘাট এলাকা পরিদর্শন করে নিরাপদে যাত্রী পারাপারে ঘাট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন।

গোপালগঞ্জগামী বদরুল হোসেন জানান, আমি একটি কোম্পানিতে চাকরি করি। থাকি ঢাকার ধামরাইতে। লকডাউনের আগে বাবার বাড়ি গিয়ে স্ত্রী আটকা পড়েছে। তাকে আনতে যাচ্ছি। ঈদের পরদিনই চলে আসবো।

ফরিদপুরের গার্মেন্টস কর্মী হানিফ মিয়া বলেন, গত ঈদে বাড়ি যেতে পারিনি, এবার কষ্ট হলেও যাবো এবং প্রয়োজনে কষ্ট করে ফিরবো।

শিমুলিয়া ঘাটের ট্রাফিক সার্জেন্ট রাসেল মোশাররফ বলেন, পদ্মায় তীব্র স্রোত থাকায় পদ্মা পাড়ি দিতে ফেরিতে সময় বেশি লাগছে, ফলে ঘাটে যানবাহনের চাপ বাড়ছে।