শুক্রবার থেকে ফের কঠোর লকডাউন শুরু হওয়ায় তার আগেই কর্মস্থলে ফিরতে মরিয়া মানুষজন। তাই ঈদের পরদিনই ফিরে যেতে হচ্ছে কর্মজীবীদের। আর এতে চাপ বেড়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশদ্বার মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে। মানুষের উপচে পড়া ভিড় সেখানকার ফেরি ও লঞ্চঘাটগুলোতে।     

ঘাট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ১৪টি ফেরি ও ৮৬টি লঞ্চ চলাচল করছে। লঞ্চঘাটে প্রচণ্ড ভিড় সামলাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। লঞ্চগুলোতে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচলের নিয়ম থাকলেও লঞ্চ চালক ও শ্রমিকেরা অতিরিক্ত যাত্রী তুলছেন। যাত্রীরা ফেরির চাইতে লঞ্চে যেতে বেশি আগ্রহী হওয়ায় লঞ্চঘাটে ভিড় জমাচ্ছেন। মাঝিকান্দি ও বাংলাবাজার থেকে কোনো লঞ্চ ঘাটে ভেড়া মাত্রই যাত্রীরা সেটিতে ওঠার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে গাদাগাদি করে লঞ্চে ওঠানামা করছে যাত্রীরা। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ। 

শিমুলিয়া ঘাটের ট্রাফিক পরিদর্শক হাফিজুল ইসলাম জানান, আগামীকাল থেকে কঠোর লকডাউন শুরু হওয়ার কারণে ঘর ও কর্মস্থল এই উভয়মুখী মানুষের চাপ বেড়েছে। 

বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়েত আহমেদ জানান, এ নৌপথে ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। লঞ্চ চলাচল করায় ফেরিতে আগের চেয়ে যাত্রীর চাপ কম রয়েছে। 

বিআইডব্লিউটিএর সহকারী পরিচালক সাহাদাত হোসেন জানান, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে স্পিডবোট ও ট্রলার চলাচল বন্ধ থাকায় লঞ্চে অতিরিক্ত চাপ পড়েছে। ফলে যাত্রীদের সামলাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।