দুই মাসে পূর্ণিমার জোয়ারের পানি বাঁধ উপচে খুলনা মহানগরে প্রবেশ করছে। এতে প্লাবিত হয়েছে নগরীর নিচু এলাকা। সোমবার নদীতে পানির চাপ বেশি থাকায় প্লাবিত হয় আরও এলাকা। এতে দুর্ভোগে পড়েন মানুষ।

সরেজমিন দেখা যায়, জোয়ারের সময় রূপসা নদীর পানি কিছু এলাকায় বাঁধ উপচে, কিছু এলাকায় ড্রেন দিয়ে নগরীতে প্রবেশ করছে। সোমবার সকাল থেকে রূপসা ঘাট এলাকা, খানজাহান আলী রোড, টুটপাড়ার একাংশ, লবণচরার কিছু এলাকা, দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরি এলাকা, গগন বাবু রোড, টিবি ক্রস রোড ও দারোপাপাড়া এলাকার সড়ক ছিল পানির নিচে। বাঁধ উপচে আসা পানিতে রূপসা নতুন বাজার এলাকা, নতুন বাজার চরের বস্তির সব ঘরেই পানি উঠে যায়।

ওই এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ ভবনে পানি ঢুকে জিনিসপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েক দিন ধরে এ দুর্ভোগ চলায় ইট দিয়ে আসবাবপত্র উঁচু করে রাখা হয়েছে। সেমি-পাকা বাড়ির রান্নাঘরে পানি ঢোকায় খাওয়ার কষ্টে আছেন মানুষ।

সোমবার দুপুরে নগরীর রূপসা ঘাট মোড় পুরোটাই ছিল পানির নিচে। পানিতে থই থই করছিল কেসিসির খুলনা কলেজিয়েট গার্লস স্কুল ও কেসিসি উইমেন্স কলেজের মাঠ।

রূপসা ঘাট এলাকার ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন বলেন, কয়েক দিন ধরে জোয়ারে প্লাবিত হচ্ছে এই এলাকা। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রূপসা মাছবাজার সংলগ্ন কেসিসির স্লুইস গেটটি বিকল। এ কারণে জোয়ারের সময় গেট দিয়ে ড্রেনে পানি আসছে।

স্লুইস গেট তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত কেসিসির সুপারভাইজার হাফিজুর রহমান বলেন, গেটটি অনেক পুরোনো। একটি অংশ দিয়ে অল্প পানি প্রবেশ করে।

কেসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আবদুল আজিজ বলেন, সমস্যা সমাধানে আলোচনা চলছে।