বরিশাল বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গ নিয়ে আরও ২০ জন মারা গেছেন। 

গত একদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮২২ জন। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩৭ দশমিক ১৬। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস সমকালকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘন্টায় বিভাগের ছয় জেলায় দুই হাজার ২১২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮২২ জন পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে পিরোজপুরে ৪ জন, পটুয়াখালীতে ২ জন, বরগুনায় ২ জন এবং ঝালকাঠিতে ১ জন মারা গেছেন।

শেবাচিম হাসপাতালের করোনা সংক্রান্ত তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা জাকারিয়া খান স্বপন জানান, এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন আরও ১১ জন মারা গেছেন গত একদিনে। 

এছাড়া হাসপাতালের আরটিপিসিআর ল্যাবে ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৯৪ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫০ দশমিক ৮৪ ভাগ। 

বরিশাল জেলায় ৭৪০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৯৩ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। শনাক্তের হার ৩৯ দশমিক ৫৯। ভোলা জেলায় শনাক্তের হার ৪২ দশমিক ৫৫ ভাগ। এ জেলাতে ২৮২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১২০ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। 

পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে শনাক্তের হার প্রায় কাছাকাছি। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার পিরোজপুরে ৩৭ দশমিক ১০ ভাগ এবং ঝালকাঠীতে ৩৭ দশমিক ৫০ ভাগ পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। 

পিরোজপুরে ৩৬৩ জনের নমুনা পরীক্ষায ১৩৫ জন এবং ঝালকাঠীতে ১৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬৯ জন করোনায় আক্রান্ত চিহিৃত হন। 

বরগুনা জেলাতে শনাক্তের হার ৪১ দশমিক ৭১। এ জেলাতে ২১১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮৮ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। পটুয়াখালীতে ৪৩২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১১৭ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। জেলায় শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ০৮ শতাংশ। 

শেবাচিম হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৫৭ জন চিকিৎসাধীন আছেন। তারমধ্যে ১১৭ জন পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন।