সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের পাঠানো কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার দিনভর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর সন্ধ্যায় তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-  জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মেটুয়ানী গ্রামের রাকিব মাস্টারের ছেলে রিয়াদ হোসেন, চরচালা গ্রামের মৃত সোনা উল্লাহর ছেলে রুবেল হোসেন, একই গ্রামের দীলিপ চক্রবর্তীর ছেলে রিপন চক্রবর্তী ওরফে বাবু, মুকন্দগাতী গ্রামের আব্দুল বাতেনের ছেলে নাজমুল, জিধুরী গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে মেহেদী হাসান এবং আমির আলীর চানের ছেলে রতন শেখ।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২৪ জুলাই রাতে বেলকুচির গাড়ামাসির শামসুর রহমানের ছেলে তাঁত ব্যবসায়ী আতিকুর রহমান মোটর সাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। তার বন্ধু মুকুন্দগাতী গ্রামের জহুরুল ইসলামের বাড়ি থেকে পাওনা ৮৫ হাজার টাকা নিয়ে তিনি ফিরছিলেন।

ছাত্রলীগের অভিযুক্ত ওইসব নেতাকর্মীরা ওই সময় তার গতিপথ রোধ করে তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এক পর্যায়ে আতিকুরের কাছে থাকা ৮৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে চাঁদার বাকি ৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা দ্রুত পরিশোধের কথা বলে তাকে মারপিট করা হয়।

স্থানীয়দের সহায়তায় আতিকুল রক্ষা পেয়ে পরদিন ২৫ জুলাই থানায় হাজির হয়ে মামলা করেন।মামলায় ছাত্রলীগের ছয়জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়।

বেলকুচি থানার ওসি গোলাম মোস্তফা বুধবার সকালে জানান, চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদ হোসেনের বিরুদ্ধে এর আগে বেশ ক’টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।