প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব মু. আশরাফ সিদ্দিকী বিটু পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলী। এই পরিচয় দিয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে ফোন করে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় রাজনীতিবিদ, সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে চাকরির তদবির ও অর্থ দাবিসহ অনৈতিক সুবিধা আদায় করে আসছিলেন। 

সর্বশেষ গত ২৭ জুলাই সাজ্জাদ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের মোবাইল ফোনে কল করে নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব মু. আশরাফ সিদ্দিকী বিটু পরিচয় দিয়ে রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণার তারিখ জানতে চান এবং দ্রুত কমিটি ঘোষণার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি মহিউদ্দিন মাহমুদ জয়কে কমিটিতে না রাখার জন্য হুমকি দেন। ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজপাড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন জেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব প্রত্যাশী মহিউদ্দিন মাহমুদ জয়। 

আরএমপি'র সাইবার ক্রাইম ইউনিটের ইনচার্জ সহকারী পুলিশ কমিশনার উৎপল কুমার চৌধুরী ও তার টিম উক্ত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করেন। পরবর্তীতে প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়।

বুধবার রাতে সাইবার ক্রাইম ইউনিটের তথ্যের ভিত্তিতে রাজপাড়া থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন ও এসআই মকবুল হোসেনের টিম গোপন সংবাদ মারফত অভিযান পরিচালনা করে আসামী সাজ্জাদকে তার ভাড়া বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ৪ টি মোবাইল ফোন ও ১ টি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।

সাজ্জাদ আলী জেলা ছাত্রলীগের সদ্য বিলুপ্ত (হাবিব-মেরাজ) কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। এর আগেও র‌্যাব তাকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছিল।