চীন থেকে সিনোফার্মের ৩০ লাখ কোভিড-১৯ টিকা দেশে এনেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বেইজিং ক্যাপিটাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে ১০ লাখ ডোজ টিকা নিয়ে বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ২০ মিনিটে বিমানের একটি ফ্লাইট (বিজি-৫০৬৫) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। 

এরপর শুক্রবার রাত ১টা ও ৩টায় বিমানের আরও দুটি ফ্লাইটে (বিজি-৫০৬৭ এবং বিজি-৫০৬৯) চীন থেকে বাকি ২০ লাখ ডোজ টিকা ঢাকায় পৌঁছে। অবতরণের পর বিমানের পক্ষ থেকে সব ধরনের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সুবিধা দেওয়া হয়।    

মোট ৩০ লাখ ডোজ কোভিড টিকা দেশে আনতে বৃহস্পতিবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অত্যাধুনিক তিনটি ড্রিমলাইনার (একটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ও দুইটি বোয়িং ৭৮৭-৮) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চীনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স প্রয়োজনীয় তাপমাত্রায় বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব টিকা দেশে আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিক এভিয়েশন নীতিমালা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুরক্ষানীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করে করোনা মহামারিকালীন সময়ে সাশ্রয়ী খরচে টিকা, ভেন্টিলেটর ও অন্যান্য সুরক্ষাসামগ্রী পরিবহন করছে বিমান।  

সিনোফার্মের মোট ৪০ লাখ ডোজ কোভিড টিকা গত ২, ৩, ১৭ ও ১৮ জুলাই মোট চারটি ফ্লাইটের মাধ্যমে দেশে এনেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

প্রসঙ্গত, গত ১২ মে চীন সরকারের উপহার হিসেবে সিনোফার্মের ৫ লাখ ডোজ টিকা বাংলাদেশে আসে। সেটাই ছিল চীন থেকে আসা টিকার প্রথম চালান। উপহারের টিকার দ্বিতীয় চালানে ৬ লাখ ডোজ টিকা আসে গত ১৩ জুন। এছাড়া ৩ জুলাই এবং ৪ জুলাই দুটি ফ্লাইটে ১০ লাখ করে ২০ লাখ ডোজ, ১৭ জুলাই ১০ লাখ ডোজ এবং ১৮ জুলাই ১০ লাখ ডোজ টিকা বাংলাদেশে আসে।

বাংলাদেশ ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার পর সিনোফার্মের টিকা কিনেছে। এছাড়া কোভ্যাক্স থেকে মডার্না, ফাইজারের টিকা এসেছে দেশে।