বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ জন মারা গেছেন। তারমধ্যে ৬ জন করোনা পজিটিভ ছিলেন এবং অপর ১১ জনের উপসর্গ ছিল।

শেবাচিম হাসপাতালে করোনা সংক্রান্ত তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা জাকারিয়া খান স্বপন রোববার সকাল ৮টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টার হিসাবে এ তথ্য জানিয়েছেন। 

অপরদিকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানিয়েছেন, রোববার সকাল ৮টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫ জন। যার মধ্যে ৩ জন বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে এবং অপর দুইজনের একজন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও একজন বরগুনা জেলা হাসপাতালে। 

পরিচালক আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের ছয় জেলায় এক হাজার ৮৩৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬৮৫ জন পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৩৭ দশমিক ৩১ ভাগ।

শনাক্তের হার সর্বাধিক ভোলা জেলায় ৪০ দশমিক ৬৫ ভাগ। এ জেলায় ৩৩৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৩৭ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। তবে শনাক্তের সংখ্যা বেশি বরিশালে। এ জেলায় ২৪ ঘণ্টায় ২৫৩ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৩৪ জনের। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৩৯ দশমিক ৯১ ভাগ। 

ভোলা ও বরগুনায় শনাক্তের হার যথাক্রমে ৩৮ দশমিক ১৬ ও ৩৮ দশমিক ৩৯ ভাগ। ভোলাতে ২২৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮৭ জন এবং বরগুনাতে ২২৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮৬ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। 

ঝালকাঠীতে শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৫৬। এ জেলায় ২৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৭৭ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। পিরোজপুরে আক্রান্ত ও শনাক্তের দুটিই কমেছে। এ জেলায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ৬৩ ভাগ। ১৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪৫ জন পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। 

অপরদিকে শেবাচিম হাসপতাল সূত্রে জানা গেছে, এ হাসপাতালের আরটিপিসিআর ল্যাবে ২২৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৭১ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৪১ ভাগ। শেবাচিম হাসপতালের করেনা ইউনিটে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ৩৫৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন ছিল। যার মধ্যে ১৪৭ জন পজিটিভ শনাক্ত।