সিলেটে বিদেশি রিভলবার, গুলি ও দেশিয় অস্ত্রসহ মো. সাব্বির খান নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৯। শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত সাব্বিরের বিরুদ্ধে মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। 

সাব্বির নগরীর সংলগ্ন আখালিয়া নয়াবাজারের মোহাম্মদীয়া আবাসিক এলাকার মো. খলিল খানের ছেলে। বুধবার রাত সোয়া ৭টার দিকে নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় সাব্বিরের কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলবার, তিন রাউন্ড গুলি, দু'টি রামদা, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি হকিস্টিক, একটি ভিডিও রেকর্ডার বক্স ও দুটি সিমসহ একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার সাব্বিরকে মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয় বলে জানান র‌্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার মেজর মাহফুজুর রহমান। তিনি জানান, গত ২৬ জুলাই এক ব্যক্তির বাড়িতে ঢুকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করেন সাব্বির। এই ঘটনায় জালালাবাদ থানায় মামলার পর পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব তদন্তে নামে। বুধবার সন্ধ্যার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাব্বিরের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। অস্ত্র আইনে মামলার পর তাকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান জানান, অস্ত্র আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাব্বিরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এই মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে। 

ওসি নাজমুল বলেন, শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত সাব্বিরের বিরুদ্ধে জালালাবাদ ও মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে। 

র‌্যাব-৯ এর মেজর মাহফুজুর রহমান বলেন, গত সোমবার মধ্যরাতে নগরীর হাউজিং এস্টেট থেকে মো. সাইদুল হক সাঈদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার কাশিপুর গ্রামের মো. শফিক উল্লাহের ছেলে সাঈদ পেশাদার অস্ত্র ব্যবসায়ী। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ৮ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ৫ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ, ২টি রামদা, একটি ছোরা, পাসপোর্ট ও ১২০টি বাংলালিংক সিমকার্ডসহ দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তবে গ্রেপ্তার সাব্বিরের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে সাঈদের সম্পৃক্ততার কোনো তথ্য তারা পাননি।