২৫০ শয্যাবিশিষ্ট পাবনা জেনারেল হাসপাতালের টিকাকেন্দ্রে টিকা নিতে আসা একজনকে সিরিঞ্জ পুশের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে দুইজন স্টাফ নার্সকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। 

ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল। 

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. কে এম আবু জাফর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি সমকালকে জানান, তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে পাবনার আটঘরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রফিকুল হাসানকে। অন্য দুই সদস্য হলেন, পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. জাহিদুর রহমান ও জেলা পাবলিক হেলথ নার্স। 

ডা. কে এম আবু জাফর বলেন, ‘বুধবার বিকেলে ঘটনাটি জানার পরপরই টিকা কেন্দ্রে নিয়োজিত দুই স্টাফ নার্স মেরিনা গোমেজ ও মিতা খাতুনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তদন্ত কমিটিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

পাবনার সিভিল সার্জন ডা. মনিসর চৌধুরী সমকালকে বলেন, ‘তদন্ত কমিটি কাজ করছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরপরই পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। দায়িত্ব ও কর্তব্যহীন কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’

স্কয়ার টয়লেট্রিজের মানব সম্পদ বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক আব্দুল হান্নান বুধবার অভিযোগ করেন, তার মেয়ে ঢাকা 

কমিউনিটি হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্রী সাবা মারিয়াম অন্তিকা বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ‘মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থী’ কোটায় টিকা নিতে যান। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স তাকে খালি সিরিঞ্জ দিয়ে শরীরে সুই ফুটান। এতে তার শরীরে রক্ত বের হয়। 

তার মেয়ে মেডিকেল ছাত্রী ভ্যাকসিন না দিয়ে খালি সিরিঞ্জ ঢুকানোর প্রতিবাদ করলে কর্তব্যরত নার্স ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং পরে তাকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে শহরে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়।