মাসখানেক আগে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাসেম ফুডস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে আরও ২১ জনের লাশ শনিবার দুপুরে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষ পুলিশ সুপার রোমানা আক্তার বলেন, 'ডিএনএ পরীক্ষায় ৪৫ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। বাকি লাশের ডিএনএ পরীক্ষার কাজ চলছে। শনাক্ত হওয়া ২৪টি লাশ গত বুধবার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ (শনিবার) দুপুরে ২১টি লাশ হস্তান্তর করা হবে।'

দুপুরে যে ২১ জনের লাশ হস্তান্তর করার কথা রয়েছে- মিনা খাতুন (১৪), রহিমা (৩৯), মাহমুদা আক্তার (২২), রাবেয়া আক্তার, নাজমুল হোসেন, সেলিনা আক্তার, তাসলিমা আক্তার, ফাকিয়া আক্তার, রহিমা আক্তার, আমেনা আক্তার (২২), হাসনাইন (১২), শামীম (১৭), আকাশ মিয়া, সান্তা মনি আক্তার (১৪), অমৃতা বেগম (৩৬), শেফালী রানী সরকার (১৭), কল্পনা রানী বর্মন, মাহবুবুর রহমান (২৮), জিহাদ রানা, স্বপন মিয়া ও মো. নোমান (১৮)।

গত ৮ জুলাই বিকেলে রূপগঞ্জ উপজেলার কর্ণগোপ এলাকায় অবস্থিত হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৫১ জনের মৃত্যু হয়, যাদের ৪৮ জনের লাশ পুড়ে বিকৃত হয়ে যায়। বাকি তিনজনের লাশ তখনই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের জন্য পুড়ে বিকৃত হয়ে যাওয়া লাশগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ৪৮টি মৃতদেহ শনাক্ত করার জন্য ৬৮ জন স্বজনের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে সিআইডি। ডিএনএ পরীক্ষায় ৪৫টি লাশের পরিচয় শনাক্ত হয়।

তবে দিনাজপুরের ফয়জুল ইসলামের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের লাল্টু মিয়ার মেয়ে লাবণ্য আক্তার, ভোলার চরফ্যাশনের রাকিব দেওয়ানকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি। ভোলার মহিউদ্দিন নামেও একজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে তার স্বজনরা জানিয়েছেন।