বরিশালে একদিনে করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গে আরও ১৪ জন মারা গেছেন। তার মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৫ জনের এবং উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯৩ জন।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোববার সকাল ৮টা থেকে আগের ২৪ ঘন্টার হিসাবে এ তথ্য জানিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানান, গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে বরিশাল ও ভোলায় ২ জন করে এবং বরগুনায় ১ জন করে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগের ছয় জেলায় এক হাজার ৪৭৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৯৩ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা জাকারিয়া খান স্বপন জানান, হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ৯ জন মারা গেছেন। তিনি আরও জানান, আরটি পিসিআর ল্যাবে ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৭১ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। শনাক্তের হার ৩৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক ১৫৯ জন পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন বরিশাল জেলায়। নমুনা পরীক্ষা করা হয় ৫১৪ জনের। শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ৯৩ শতাংশ। ঝালকাঠীতে সর্বনিম্ন ১৮ জন পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। জেলায় নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১০২ জনের। জেলাতে শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

শনাক্তের হার সবচেয়ে বেশি ভোলা জেলাতে ৩১ দশমিক ৪৮ শতাংশ। জেলায় ২৭০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৮৫ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। বরগুনাতে ৩০ জন করোনা পজিটিভ রোগী শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১২৫ জনের। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৪ শতাংশ।

পটুয়ায়াখালী ও পিরোজপুরে শনাক্তের হার যথাক্রমে ২১ দশমিক ৬৬ এবং ২২ শতাংশ। পটুয়াখালীতে ৩১৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬৮ জন এবং পিরোজপুরে ১৫০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৩ জন পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন।

শেবাচিম হাসপতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালের ৩০০ শয্যার করোনা ইউনিটে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৬৬ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। তার মধ্যে করোনা পজিটিভ শনাক্ত ৪৫ জন।