গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় প্রায় পৌনে ৩০০ কওমি মাদ্রাসায় জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে। আলোচনা করা হয়েছে বঙ্গন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর। এছাড়া এবারই প্রথম বেশির ভাগ কওমি মাদ্রাসায় শোক দিবসে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

দুপুরে উপজেলার গোসিঙ্গা ইউনিয়নের লতিফপুর জামিয়া উলূমে শরিইয়্যা মাদ্রাসা ও এতিমখানা মাদ্রাসায় জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় শীর্ষ আলেমরা বলেন, বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা বলাতে যাদের গা জ্বলে, তারা তখন কোথায় ছিলেন, যখন মুহাম্মদ আলী জিন্নাহকে ‘বাবায়ে কওম’ বলা হত। বাবায়ে কওম মানেই তো ‘জাতির পিতা’।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মাদ্রাসার মুহতামিম আশেকে মুস্তফা বলেন,  বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা বলা ইসলাম ধর্ম সমর্থন করে। যারা নাক ছিঁটকান, তারা না বুঝেই সেটা করেন। বেফাকু মাদারিসাতুল আরাবিয়ার উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মইনুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা বিশ্ববন্ধুতে পরিণত হচ্ছিলেন। আর তখনই ঘাতকরা তাকে সপরিবারে হত্যা করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজ বলেন, ‘কাঁদো বাঙালি কাঁদো’ আমি এ কথা আর বলতে চাই না, কাঁদতে আসিনি। আমি এসেছি পিতা হত্যার প্রতিশোধ নিতে। কেঁদে হৃদয়কে প্রকম্পিত করা যায়, মনকে হালকা করা যায়। দুর্বল চিত্ত নিয়ে জাতির পিতার আহ্বানে দেশ স্বাধীন করা হয়নি। পিতার আহবানে চিকেন হার্ড নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা কেউ দেশ স্বাধীন করেনি। আমি মুক্তিযোদ্ধাদের একজন উত্তরসূরী হয়ে পিতা হত্যার প্রতিশোধ চাই।