শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে গেঁটে বাত ও কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। আর ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়া মানেই অনেক ধরনের খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ তৈরি হওয়া। সেই সঙ্গে জীবনযাপন পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা দরকার।

দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে যেহেতু ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যায়, তাই নিয়মিত শরীরচর্চা করাও জরুরি। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা প্রতি ৩০ মিনিট বসার পর অন্তত তিন মিনিট করে দাঁড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়া লিফটের পরিবর্তে নিয়মিত সিঁড়ি বেয়ে অন্তত দুই তলা উঠার কথাও বলছেন তারা। ইউরিক অ্যাসিড কমাতে সপ্তাহে অন্তত দু’দিন স্ট্রেংথ ট্রেনিং, প্রতিদিন স্ট্রেচিং আর যোগব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।

ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে কী খাবেন না

ইউরিক অ্যাসিড কমাতে টমেটো কেচআপ, ক্যানড পানীয়, চকোলেট, চিপস, বিস্কুট ও প্যাকেটজাত খাবার খাওয়া একেবারেই ঠিক নয়। এসব খাওয়ার অভ্যাস থাকলে এখন থেকেই সতর্ক হওয়া উচিত।

কী খাবেন

অনেকের মতে, ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে পালং শাক খাওয়া ঠিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, পালং শাক খাওয়া যাবে তবে রান্না করে খেতে হবে। প্রতি দিনের খাদ্যতালিকায় দই রাখতে পারেন। দিনে ১-২টি ডিম খেলে কোনও অসুবিধে নেই। সপ্তাহে ২-৩ দিন মাছ বা মাংস খেতে পারেন।

কোন খাবারগুলি নিয়মিত খাবেন

ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সুস্থ থাকতে প্রতি দিন প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। পাশাপাশি নিয়মিত মৌসুমি ফল খাওয়া জরুরি। কলা খেতে পারেন, এতে গাঁটের ব্যথা কমবে। এছাড়া শরীরে ভিটামিন বি ১২-এর পরিমাণ যাতে বাড়ে, সেজন্য দুধ ও দই খাওয়া জরুরি।