ফরিদপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর পানি না বাড়লেও এখনও বিপৎসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

গত ৯ দিনের বন্যার পানিতে জেলা সদর, চরভদ্রাসন, সদরপুর উপজেলার দেড় শতাধিক গ্রামের সবজি ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলি ক্ষেত, রাস্তা, নিচু এলাকা তলিয়ে আছে। প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। প্রায় ৩০০ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। গবাদি পশুর খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।

অম্বিকাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ চৌধুরী বারী জানান, তার ইউনিয়নের প্রায় ৪০০-৫০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে আছে। প্রায় ১০০ হেক্টর জমির রোপা আমন, আউশ ধান, মরিচ, বেগুনসহ বিভিন্ন প্রকার সবজি ক্ষেত তলিয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি ত্রাণ পৌঁছেনি ইউনিয়নে। দ্রুত সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি জানান।

ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বন্যায় জেলার প্রায় তিনশ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। বন্যা চলমান থাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নি।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার জানান, জেলার নিম্নাঞ্চলের পানিবন্দি মানুষের খবর রাখছি। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাদের সরকারিভাবে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে খাদ্য সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সব এলাকার মানুষ সরকারি খাদ্য সহায়তার আওতায় আসবে।