করোনার মহামারির কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, পরীক্ষাসহ বিভিন্ন একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হয়েছে ।

বুধবার সকাল ১০ টায় কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অফিসে অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় পরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম রাশেদ হাসনাত, কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. রুহুল আমিন, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আবু সাঈদ, কৃষি অর্থনীতি ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. রোমেজা খানম, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কৃষিবিদ সাজিদুল ইসলাম, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নূর হোসেন মিঞা প্রমুখ।

প্রথম দিন কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের লেভেল ১, সেমিস্টার ১ এর ৪৯ জন শিক্ষার্থী সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। এর আগে অনলাইনে ক্লাস ও ইন্টার্নি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও সিকৃবির ইতিহাসে প্রথমবারেরমতো স্নাতক পর্যায়ে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর।
 
ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন জানিয়েছেন, প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে সমগ্র পৃথিবী চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা দেওয়ার চমৎকার প্রযুক্তি নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, অনলাইন প্লাটফর্মের এই সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা মোট তিনটি সেকশনে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম সেকশনে শিক্ষার্থীরা ৩০ মিনিটে ৩০ নম্বরের বিভিন্ন প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর দিবেন। দ্বিতীয় সেকশনে ২০ নম্বরের ১টি বা কয়েকটি প্রশ্নের বিস্তারিত বা ব্যাখামূলক উত্তর দিবেন। তৃতীয় সেকশনে ৫০০ শব্দের এসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে যার নম্বর থাকবে ২০। এভাবে এক ঘন্টায় মোট ৭০ নম্বরের ফাইনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

কৃষি অনুষদ এবং কৃষি অর্থনীতি ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু করবে। একইভাবে ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদ, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ ১৩ সেপ্টেম্বর এবং বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে স্নাতক পর্যায়ের বিভিন্ন সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষা অনলাইনে শুরু করতে যাচ্ছে।