যশোরের কেশবপুরে চাঞ্চল্যকর ছাত্রলীগ নেতা শারাফাত হোসেন সোহান হত্যা মামলায় মঙ্গলবার আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। 

মামলার অন্যতম আসামি কেশবপুর পৌরসভার ৯ নম্বর বালিয়াডাঙ্গা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ এবাদত সিদ্দিক বিপুলসহ সাতজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। 

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক অরুপ কুমার বসু।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন কেশবপুর পৌরসভার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মেহেদী হাসান, সোহেল রানা, নাজমুল রাজু, আব্দুর রশিদ, আব্দুর রহিম রানা ও আমীর আলী। আসামি পৌর কাউন্সিলর ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিপুল পলাতক। অন্য আসামিরা জেলহাজতে রয়েছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ৭ মে কেশবপুরের বালিয়াডাঙ্গা সাইক্লোন শেল্টারে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় সরকারি মানবিক সহায়তা দেওয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পৌর আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদের ভাইপো ছাত্রলীগ নেতা শারাফাত হোসেন সোহান গুরুতর আহত হলে তাকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেপে নেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই ১২ মে রাতে তিনি মারা যান। 

এ ঘটনায় সোহানের চাচা আবুল কালাম আজাদ ওই সাতজনের নাম উল্লেখ করে কেশবপুর থানায় মামলা করেন। নিহত সোহান বালিয়াডাঙ্গা ওয়ার্ডের আব্দুল হালিমের ছেলে ও কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্রলীগ নেতা এবং ওই কলেজের ছাত্র ছিলেন। তার চাচা আবুল কালাম আজাদ কেশবপুর পৌর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক এবং গত ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে ৯ নম্বর বালিয়াডাঙ্গা ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন।

এ বিষয়ে মামলার বাদী আবুল কালাম আজাদ প্রধান আসামি শেখ এবাদত সিদ্দিক বিপুলকে গ্রেপ্তারসহ দ্রুত মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্নের দাবি জানান।