করোনা ভাইরাসে শনাক্ত ও মৃত্যু দুই সূচকেই শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। মোট শনাক্তের ৬৭৬ জনই ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা। দেশের মোট শনাক্তের ৫৬ দশমিক ৮১ শতাংশই পাওয়া গেছে এ বিভাগে। গত একদিনের (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) শনাক্তের মধ্যে রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা ৫৩৩ জন। শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে। করোনায় দেশে আরও ৩৫ মৃত্যু, শনাক্ত ১১৯০

বিভাগভিত্তিক তালিকায় চট্টগ্রামে ২৪৩ জন, রংপুরে ৭৭ জন, খুলনায় ৫৮ জন, ময়মনসিংহে ৪৫ জন, রাজশাহী ৩৫ জন, সিলেটে ৩১ জন এবং বরিশালে ২৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। 

মৃত্যুতেও শীর্ষে 

এদিকে করোনো ভাইরাসে মৃত্যুর তালিকায়ও শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় এ বিভাগে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য বিভাগগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামে ৬ জন, রাজশাহী ও খুলনায় তিনজন করে, সিলেটে দুইজন এবং বরিশাল ও রংপুরে একজন করে সংক্রমিত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেন। গত চব্বিশ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ বিভাগে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। মৃতদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ২৭ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন ৮ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৬ জন পুরুষ এবং ১৯ জন নারী। বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত চব্বিশ ঘণ্টায় মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ২০ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৭ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে এবং ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ১ জন করে মৃত্যুবরণ করেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে ১ হাজার ৩৪৩ জনকে। একইসঙ্গে কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড় পেয়েছেন ১ হাজার ৭১৪ জন। এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে ১২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৫৬ জন এবং ছাড় পেয়েছেন ১১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৬৮ জন। বর্তমানে মোট কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৬৯ হাজার ৯৮৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৪৪৫ জনকে। আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৬০৭ জন। এ পর্যন্ত মোট আইসোলেশন করা হয়েছে ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৭৯৭ জন এবং ছাড় পেয়েছেন ৩ লাখ ৩১ হাজার ২২৩ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৪৫ হাজার ৫৭৪ জন।