চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে বিদ্যালয়ের টয়লেটে আটকা পড়ার ১১ ঘণ্টা পর বাক প্রতিবন্ধি এসএসসি পরীক্ষার্থী শারমিনকে উদ্ধারের ঘটনায় হোসেনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে শোকজ করেছে জেলা শিক্ষা অফিস। এছাড়া এই ঘটনা পৃথকভাবে তদন্তের জন্য জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রধান শিক্ষককে শোকজের জবাব এবং অন্যদেরকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন জেলা শিক্ষা অফিসার মো. গিয়াস উদ্দিন।

তিনি বলেন, আমি শনিবার সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। বাক প্রতিবন্ধি ওই ছাত্রীকে এই স্কুলে ভর্তি করাই কথা না। ছাত্রী বাক প্রতিবন্ধি হওয়ায় সে কোন কথা বলতে পারেনি।

বাক প্রতিবন্ধি ছাত্রীর বাবা বলছেন, মেয়েকে পেয়েই তারা খুশি। তাদের কোন অভিযোগ নেই। তারপরও জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী পরিদর্শক সুমন খান এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে পৃথকভাবে তদন্ত করে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দিয়েছি। তদন্তে কারো গাফিলতি থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, ১৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার শাহরাস্তির টামটা উত্তর ইউনিয়নের হোসেনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্লাস ছুটির পর সবাই বাড়ি গেলেও বিদ্যালয়ের বাথরুমের আটকা পড়েন এসএসসি পরীক্ষার্থী শারমিন। পরে রাত ১০টার দিকে ১১ ঘণ্টা পর তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা।