চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় পাইকারি মোকাম চাক্তাই-খাতুনগঞ্জে শুধু জলাবদ্ধতার কারণেই গত এক দশকে পাঁচ হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হয়েছে ২ হাজার ৫১৭ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম চেম্বারের সহযোগিতায় সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের ন্যাশনাল রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। এতে আরও বলা হয়েছে, পুরো বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামকে আমলে আনলে এই ক্ষতি প্রতি মাসে ছাড়িয়ে যাবে হাজার কোটি টাকা। বন্দরনগরীর এ ক্ষতি বিবেচনায় নিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে এখানে ১১ হাজার কোটি টাকার চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। এরই মধ্যে কয়েকটি প্রকল্পের ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নেওয়া জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর মাঝপথে এসে মিলছে নানা ত্রুটি। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদনেও তুলে ধরা হয়েছে নানা অসংগতির চিত্র।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম শহরের খালগুলোর চরিত্র জানার জন্য যেসব তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা প্রয়োজন ছিল, তা সমীক্ষায় উঠে আসেনি। তড়িঘড়ি করে করা সমীক্ষা প্রতিবেদনের সঙ্গে বাস্তবের অনেক ফারাক রয়েছে। প্রকল্প নিয়ে একই সুরে কথা বলছে এখন চসিকও। বিভাগীয় কমিশনারকে প্রধান করে গঠিত কমিটির কাছে সিডিএর বাস্তবায়ন করা প্রকল্পের বেশ কিছু ত্রুটিও তুলে ধরে তারা।

ত্রুটি নিয়েই অর্ধেক কাজ শেষ: নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে 'চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনর্খনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন' প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সিডিএ। চট্টগ্রাম ওয়াসার 'চিটাগং ওয়াটার সাপ্লাই ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড স্যানিটেশন প্রজেক্ট'-এর আওতায় আপডেটেড ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যানের আলোকে এ প্রকল্প প্রণয়ন করে প্রতিষ্ঠানটি। চট্টগ্রাম ওয়াসার মাস্টারপ্ল্যানে ৫৬টি খাল খনন করার সুপারিশ করা হয়েছে। কিন্তু সিডিএর প্রকল্পে খাল খনন করা হচ্ছে ৩৬টি। মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী খালের দৈর্ঘ্য হওয়ার কথা ১৬৫ কিলোমিটার। কিন্তু বর্তমান প্রকল্পে খালের দৈর্ঘ্য রাখা হয়েছে ৯৭ কিলোমিটার। অথচ বাকি ৬৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ২১টি খাল খনন করা না হলে এ প্রকল্প ভেস্তে যাবে- বলছেন সংশ্নিষ্টরা। এ ছাড়া ৫৬টি খাল থেকে ১৪ লাখ ২০ হাজার ঘনমিটার কাদামাটি অপসারণের কথা বলা হলেও সিডিএর প্রকল্পের আওতায় ৯ লাখ ৫০ হাজার ঘনমিটার মাটি অপসারণ করা হবে। ৫০০ কিলোমিটার নর্দমা পরিস্কারের কথা বলা হলেও সিডিএর প্রকল্পে করা হবে ৩০২ কিলোমিটার। ১০০ কিলোমিটার নতুন নালা নির্মাণের সুপারিশ থাকলেও নতুন নালা নির্মাণ করা হচ্ছে মাত্র ১০ কিলোমিটার। আর পুরোনো নালা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে ১৫ দশমিক ৫ কিলোমিটার।

যা আছে আইএমইডির প্রতিবেদনে: প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিপিপির সঙ্গে দেওয়া ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সেটি সঠিকভাবে সম্পাদন করা হয়নি। পুরো প্রকল্প অনেক ত্রুটিপূর্ণ। চট্টগ্রাম শহরের খালগুলোর চরিত্র জানার জন্য যেসব তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা প্রয়োজন ছিল, তা তড়িঘড়ি করে করা সমীক্ষা প্রতিবেদনে ছিল না। এই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে ডিপিপি তৈরি করায় নির্মাণ কাজের নকশা, বাজেট এবং সময় নির্ধারণে নানা ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতা থেকে যায়। এখন তাই কাজের সময় প্রতিনিয়ত নকশা সংশোধন ও পরিমার্জন করতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটির মেয়াদ দুই দফা বাড়িয়ে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। এই সময়েও কাজ শেষ করা যাবে কিনা, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে।

বারবার ব্যয় সংশোধন বারইপাড়া খাল খনন প্রকল্প: সাত বছরেও তিন কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের একটি খাল খনন করতে পারেনি চসিক। উল্টো ব্যয় বাড়াচ্ছে তারা দফায় দফায়। ১৯৯৫ সালের মাস্টারপ্ল্যানে চাক্তাইখাল থেকে কর্ণফুলী পর্যন্ত একটি খাল খননের সুপারিশ করা হয়। ১৯ বছর পর প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয় চসিক। ২০১৪ সালের ২৪ জুন নগরের বারইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত খাল খনন প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পায়। তখন ব্যয় ধরা হয়েছিল ২৮৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। পরে ব্যয় সংশোধন করে ৩২৬ কোটি ৮৪ লাখ ৮১ হাজার টাকা ধরা হয়েছিল। বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছিল ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত। এই সময়ে ২৫ দশমিক ২৬ একর জমি অধিগ্রহণ ব্যর্থতায় খালটি খনন করতে পারেনি চসিক। ২০১৮ সালের নভেম্বরে একদফা সংশোধন করা হয়। তখন ব্যয় দাঁড়ায় ১ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা। বাস্তবায়নকাল ধরা হয় ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত। এই সময়েও খালটি খনন করতে পারেনি চসিক। সর্বশেষ গত জুনে প্রকল্প ব্যয় পুনরায় সংশোধন করা হয়। এবার ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। বাস্তবায়নে সময় নির্ধারণ করা হয় আগামী বছরের জুন পর্যন্ত। এই সময়ে প্রকল্পটি আলোর মুখ দেখা নিয়ে সন্দিহান সংশ্নিষ্টরা। কারণ পাঁচটি লটে ভাগ করে ভূমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিলেও এখনও তিনটি লটের অনুমোদনই মেলেনি। দুটি লটের অনুমোদন মিললেও ভূমি বুঝিয়ে দেয়নি জেলা প্রশাসন। চসিকের প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম সমকালকে বলেন, 'ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে প্রকল্প বাস্তবায়ন দেরি হচ্ছে। জেলা প্রশাসন ভূমি বুঝিয়ে দিলে খনন কাজ শুরু করা হবে।'

মাঝপথে এসে অভিমুখ সংশোধন করছে চাক্তাই-কালুরঘাট সড়ক নির্মাণ প্রকল্প: ২০১৭ সালের ২৫ এপ্রিল দুই হাজার ৩১০ কোটি টাকা ব্যয়ে 'কর্ণফুলী নদীর তীর বরাবর কালুরঘাট সেতু হতে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ' প্রকল্প অনুমোদন দেয় একনেক। ২০১৮ সালের ৬ নভেম্বর প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। জলাবদ্ধতা নিরসনে আট দশমিক ৫৫ কিলোমিটার সড়কসহ বেড়িবাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি ১২টি খালের মুখে রেগুলেটর ও পাম্প হাউস নির্মাণ করা হচ্ছে। এখন ১০টি স্লুইসগেট নির্মাণের কাজ চলছে। বাকি দুটির কাজ প্রাথমিক অবস্থায় আছে। প্রকল্পটির মেয়াদ এক দফা বাড়িয়ে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। কিন্তু অগ্রগতি মাত্র ৫০ শতাংশ। প্রকল্পটিতে ইতোমধ্যে ব্যয় হয়েছে ৬৬৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। এখন মাঝপথে এসে বাঁধের অ্যালাইনমেন্ট ও রেগুলেটর ডিজাইন পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে। শুরুতে বঙ্গবন্ধু মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণ করা হলেও এখন তা সংশোধন করে পেছনে করা হচ্ছে। প্রকল্পটির পরিচালক ও সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী রাজীব দাশ বলেন, 'প্রকল্পের কিছু বিষয়ে পরিবর্তন আসবে। কয়েক মাসের মধ্যে এসব পরিবর্তিত বিষয় চূড়ান্ত করা হবে। ১০টি স্লুইসগেটের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আশা করছি আগামী বর্ষার আগে এগুলো চালু করা সম্ভব হবে।'

বন্দরের আপত্তির মুখে প্রকল্পের নতুন নকশা করতে হচ্ছে পাউবোকে: ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে এক হাজার ৬২০ কোটি টাকা ব্যয়ে 'চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলমগ্নতা/জলাবদ্ধতা নিরসন ও নিস্কাশন উন্নয়ন' প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পায়। পাউবোর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। প্রকল্পের আওতায় ২৩টি খালের মুখে রেগুলেটর বসানো হবে। কর্ণফুলী নদীর তীরে নির্মাণ হবে ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ বন্যা প্রতিরোধ দেয়াল। বরাদ্দ সংকটে প্রকল্পটির আওতায় নেভাল একাডেমি গেট থেকে বিমানবন্দর ১৫ নম্বর খাল পর্যন্ত ২ দশমিক ৭ কিলোমিটার রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ কাজ চলছে ঢিমেতালে। বন্দরের আপত্তির মুখে ১৫ নম্বর খাল থেকে কাটাখালী খাল পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার ফ্লাডওয়াল নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। এসব কারণে নকশাতে কিছু সংশোধনী আনতে হচ্ছে বলে সমকালকে জানিয়েছেন প্রকল্পটির পরিচালক কর্নেল কবিরুল ইসলাম।

ত্রুটি দূর করতে ১০ দফা প্রস্তাবনা চসিকের: জলাবদ্ধতার মূল প্রকল্প ত্রুটিমুক্ত করতে কিছু প্রস্তাবনা দিয়েছে চসিক। এর মধ্যে রয়েছে- ২০১৬ সালের ওয়াসার ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করা। আংশিক বাস্তবায়নে সুফল আসবে না। আরএস শিট অনুযায়ী বাকি ২১টি খাল পূনরুদ্ধার করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। নতুন খাল ও জলাধার সৃষ্টি করা। বিদ্যমান খাল ও নালাগুলোর মাটি নিয়মিত উত্তোলন ও ভরাট রোধে মনিটরিং জোরদার করা। খাল-নালা ও যত্রতত্র ময়লা ফেলা প্রতিরোধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ ও সচেতনতা গড়ে তোলা। নগরের বিদ্যমান পাহাড়গুলো থেকে অতিবর্ষণে যাতে বালি ও মাটি অপসৃত হয়ে খাল-নালায় না পড়ে, সে জন্য পাহাড়ের পাদদেশে ড্রেন স্ল্যাব ও সিল্টট্র্যাপ নির্মাণ করা। সিডিএর বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পে খালের শুধু একপাশে রাস্তা নির্মাণের প্রস্তাবনা আছে। নিয়মিত পরিষ্কার ও মাটি উত্তোলনের সুবিধার্থে খালের উভয় পাশে ২০ ফুট চওড়া রাস্তা নির্মাণ করা। জলাবদ্ধতা প্রকল্প বাস্তবায়নে সিটি মেয়রের মতামত ও মনিটরিংয়ের সুযোগ রাখা। চলমান প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলে ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত দায়-দায়িত্ব চসিকের ওপর বর্তাবে। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতি সরবরাহের বিষয়টি প্রকল্প শেষের আগেই নিশ্চিত করা।

কে, কী বলেন :চট্টগ্রামে এসে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেছেন, 'চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে সরকার। এ জন্য তিন সংস্থাকে দিয়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে চারটি প্রকল্প। এখন মাঝপথে এসে নানা সংশোধনী আনতে হচ্ছে প্রকল্পগুলোতে। কিছুটা দেরি হলেও কোন প্রকল্পে কী ত্রুটি আছে, তা এখনই সংশোধন করতে হবে। অন্যথায় সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকা খরচের কোনো সুফল পাবে না চট্টগ্রামবাসী।'

চট্টগ্রাম সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, 'যথাযথভাবে সমীক্ষা না করে বাস্তবায়ন করতে থাকা প্রকল্পগুলো থেকে কতটা সুফল পাবে জনগণ তা নিয়ে সংশয় আছে। খোদ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ত্রুটিগুলো দূর করে প্রয়োজনে নতুন নকশা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন তারা।'

ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, 'একটি প্রকল্প গ্রহণের আগে যথাযথভাবে সমীক্ষা করতে হয়। কাজ ঠিকভাবে হচ্ছে কিনা তার জন্য দরকার জবাবদিহিতা। এই দুইয়ের কোনোটিই হচ্ছে না চট্টগ্রামে।'

চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, 'চট্টগ্রামকে বলা হয় বাণিজ্যিক রাজধানী। এখানে লক্ষাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। কিন্তু জলাবদ্ধতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, এমন কোনো ব্যবসায়ী নেই চট্টগ্রামে।' খাতুনগঞ্জে জলাবদ্ধতাজনিত ক্ষতির উদাহরণ টেনে গবেষণা করা দলের নেতা বেসরকারি আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক আবু তৈয়ব মো. শাহজাহান বলেন, 'খাতুনগঞ্জে বর্তমানে ৫৫ দশমিক ৯০ শতাংশ এলাকাজুড়ে ভবন রয়েছে। কিন্তু খাল, নালাসহ জলাধার রয়েছে মাত্র ৭ দশমিক ৮০ শতাংশ। জলাবদ্ধতা নিরসনে এখন যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, সেগুলো যদি সুফল না দেয়- এই ক্ষতির জের টানবে পুরো দেশ।'