রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তায় যুক্ত হয়েছে নতুন আরও চারটি পণ্য। চলতি অর্থবছর থেকে দেশে উৎপাদিত চা, বাইসাইকেল ও এর পার্টস, এমএস স্টিল পণ্য এবং সিমেন্ট শিট রপ্তানিতে চার শতাংশ হারে নগদ সহায়তা মিলবে। সব মিলিয়ে বস্ত্রখাতের পাঁচটি উপখাতসহ ৩৮টি পণ্য রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে। 

সোমবার এক সার্কুলারের মাধ্যমে চলতি অর্থবছর রপ্তানিতে নগদ সহায়তার নির্দেশনা ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়।

চলতি অর্থবছর বিশেষায়িত অঞ্চল তথা- বেজা, বেপজা ও হাইটেক পার্কে অবস্থিত কোম্পানির নগদ সহায়তার আওতা বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে এসব অঞ্চলে অবস্থিত দেশিয় কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশি ও দেশি যৌথ মালিকানার প্রতিষ্ঠানও নগদ সহায়তা পাবে। বিশেষায়িত অঞ্চলের 'এ' টাইপ তথা বিদেশি এবং 'বি' টাইপ তথা যৌথ মালিকানার প্রতিষ্ঠানের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানির বিপরীতে চার শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া এসব অঞ্চলের সব ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠান অন্যান্য পণ্য রপ্তানিতে এক শতাংশ হারে নগদ সহায়তা পাবে।

চলতি অর্থবছরও সরকারের আইডিকার্ডধারী ফ্রিল্যান্সারদের চার শতাংশ হারে নগদ সহায়তা অব্যাহত থাকবে। তবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ স্বীকৃত অনলাইন মার্কেট প্লেস থেকে আয় হতে হবে। চলতি অর্থবছর থেকে ফ্লোট গ্লাস শিট, ওপাল গ্লাসওয়্যার, কাস্ট আয়রন ও অ্যালুমিনিয়াম ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, হালকা প্রকৌশল পণ্য খাতের আওতায় ১৫ শতাংশ হারে রপ্তানি ভর্তুকি পাবে। আর কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স খাতের আওতায় উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন পণ্য (কম্প্রেসার) এবং এইচসিএফসিমুক্ত রেফ্রিজারেটর ১০ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা পাবে।

তৈরি পোশাক, চাল, কৃষিপণ্য, পাটজাত দ্রব্য, ওষুধের কাঁচামাল, হালাল মাংস, হিমায়িত চিংড়ি, চামড়াজাত দ্রব্য, আলু, বীজ, প্লাস্টিক দ্রব্য, কাগজ, সফটওয়্যার, জাহাজ, ফার্মসিউটিক্যালস, পেট বোতল, মোটরসাইকেল, কেমিক্যাল পণ্যসহ অন্যান্য পণ্যে আগের মতোই নগদ সহায়তা অব্যাহত থাকবে। সবক্ষেত্রে অন্তত ৩০ শতাংশ দেশি মূল্য সংযোজন করতে হবে।