দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে উপবৃত্তির অর্থ পায়নি ১০৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ হাজার ৭১৯ জন শিক্ষার্থী। 

এই অর্থ কোথায় আটকে গেছে তারও কোনো হদিস নেই।

উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের কর্তৃপক্ষ বলছেন, শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মোবাইল ব্যাংকিং শিওর ক্যাশ থেকে উপবৃত্তির টাকা দেয়া হয়েছিল। সেখান থেকে মোবাইল ব্যাংকিং নগদে হস্তান্তর করার পর অনেক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মোবাইলে উপবৃত্তির টাকা আসেনি। 

শিক্ষকরা বলছেন, শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের নগদ ব্যাংকিং নাম্বার কয়েক দফা উপজেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে অধিদপ্তরে প্রেরণ করা হলেও এখন পর্যন্ত তারা উপবৃত্তির টাকা পাননি।

উপবৃত্তির টাকা না পাওয়ার আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসিনা ভূইঁয়া সমকালকে বলেন, ‘জানুয়ারি থেকে জুন মাসের উপবৃত্তির টাকা অন্যান্য শিক্ষার্থীর অভিভাবকের নগদ একাউন্টে আসলেও উপজেলার ১৭১৯ জনের উপবৃত্তির টাকা আসেনি। এই কারণে বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের নগদ ব্যাংকিং মোবাইল নাম্বার শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।’