বরগুনার আমতলীতে যুবলীগ নেতা আবুল কালাম আজাদকে কুপিয়ে হাত ও পায়ের রগ কর্তন মামলার ১২ আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার সকালে আমতলীর ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাহিদ হাসানের আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে এ আদেশ দিয়েছেন।

আসামিরা হলেন- পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক ও কাউন্সিলর জিএম মুছা, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন খান, যুবলীগ সভাপতি জিএম ওসমানী হাসান, আল ফাহাদ, আবদুল মতিন, তানজিল, রিয়াজ, রুবেল, আশিকুর রহমান আসলাম, মিরাজ মিয়া, কবির ও সবুজ।

মামলার বাদী আবুল কালাম আজাদের মামা পৌর মেয়র মো. মতিয়ার রহমান জানান, তার ভাগ্নেকে আসামিরা ২১ মে রাতে চাঁদার দাবিতে হত্যা করতে চেয়েছিলেন। আজাদ চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছে। তার হাত-পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়েছে। আসামিরা আগাম জামিনের জন্য হাইকোর্টে গিয়ে ৪ সপ্তাহের জামিন নিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ হাইকোর্টের আগাম জামিন বাতিল করে ১ সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু আসামিরা চেম্বার জজের আদেশ গোপন রেখে জেলা দায়রা জজ আদালতে হাইকোর্টের ১ মাসের রায়ের কপি জমা দিয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত প্রতারণা জানতে পেরে তাদের জামিন আবেদন খারিজ করে নিম্ন আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেন।

আদালতের বারান্দায় আসামিরা দাবি করেন- তারা নির্দোষ। অন্যায়ভাবে তাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।