সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সরকারি পাঠ্য বই কেজি দরে বিক্রি করা রানীর হাট সিরাজগঞ্জ বাজার দ্বি- মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল মোমিনকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার বিকালে তাড়াশ উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফকির জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত ওই নোটিশ দেওয়া হয়।

এতে বিনা মূল্যে বিতরণের জন্য সরকারি বরাদ্দকৃত পাঠ্য বই অবৈধভাবে কেজি দরে বিক্রি করায় কেন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা আগামী তিন কার্য দিবসের মধ্যে তাকে লিখিত ভাবে জানাতে বলা হয়েছে।

তাড়াশ উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফকির জাকির হোসেন কারণ দর্শানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বিভাগের অভ্যন্তরীন তদন্তে সরকারি বরাদ্দকৃত পাঠ্যবই কেজি দরে বিক্রি করার ঘটনা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।  এ কারণে মঙ্গলবার উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে লিখিতভাবে এ বিষয়টিও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, শনিবার বিকালে রানীর হাট সিরাজগঞ্জ বাজার দ্বি- মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল মোমিন বিদ্যালয় ছুটির পর বিদ্যালয়ে একাই অবস্থান করেন। পরে তিনি গোপনে ষ্টোর রুমে সংরক্ষিত ২০১৯-২০২০ ও ২০২০-২০২১ শিক্ষা বর্ষের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের ১৬৩ কেজি সরকারি বিনা মূল্যের বই বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার পাঁচতলী গ্রামের ফেরিওয়ালা সাব্বির হোসেনের কাছে বিক্রি করে দেন।

বিষয়টি নিয়ে রোববার সমকালে 'কেজি দরে সরকারি বই বিক্রি' শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর পরই উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অভিযুক্ত ওই প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ বাজার দ্বি- মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল মোমিন সমকালকে জানান, যথা সময়ে কারণ দর্শানোর নোটিশের জাবাব দেব।