নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা বলেছেন, 'নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) সাহেব ও কোম্পানিগঞ্জ থানার ওসি সাহেব কত কত টাকা খেয়ে বলেন সব উপরের নির্দেশ। উপরে কি ওবায়দুল কাদের নির্দেশ দিয়েছেন? দিতে পারে। উনি তো সারাদিন মিথ্যা কথা বলেন। সারা দিন মিথ্যা কথা বলে, মিথ্যুক। আমার কাছে দুই মাস আগে যে ওয়াদা সে করেছে একটাও পূরণ হয়নি। আর তার গুণধর স্ত্রী দুর্নীতিবাজ ইসরাতুন্নেসা কাদেরের নির্দেশে আজকে পুলিশ অবৈধ খালের জায়গা দখলের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।'

শুক্রবার সকাল ৯টায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানান, তারা যেন কারো টাকা খেয়ে সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারের অভিযানে বাধা সৃষ্টি না করে। তাদেরকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

কাদের মির্জা বলেন, 'আজকে কোম্পানীগঞ্জে যে অবস্থা চলছে এটা থেকে আমাদেরকে নিষ্কৃতি পাওয়ার জন্য আন্দোলনের বিকল্প নেই। আন্দোলন করে আমাদের অধিকার আদায় করতে হবে। এটার বিকল্প নেই। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির  হায়াত খান ও সাধারণ সম্পাদক নুর নবীকে দল থেকে অনেক আগেই রেজুলেশন করে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগে বাদলকে বিতাড়িত করা হয়েছে সর্বসম্মতিক্রমে।'

মন্ত্রীর ভাগনে জনতা ব্যাংক চৌমুহনী শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার ফখরুল ইসলাম রাহাতকে দুর্নীতিবাজ উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'সে (রাহাত) ব্যাংকের তিন কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হলেও মন্ত্রীর ভাগনে বলে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।'

এসময় তিনি সরকারি জায়গা দখল করে রাহাত যে মাকের্ট করেছে সে মার্কেটের ১০ ফুট জায়গা দখলমুক্ত করতে মার্কেট ভাঙার ঘোষণা দেন। 

ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ করে কাদের মির্জা বলেন, 'আপনি কি মনে করছেন? বুড়াকালে কি ভীমরতি হয়েছে? নিজেকে বিলীন করে দিতে চান? এগুলো করলে এখানে কোম্পানীগঞ্জের মানুষ আপনার কবর রচনা করবে আগামী নির্বাচনে। আগামী নির্বাচনে দাঁড়াবার সুযোগও পাবেন না। আপনার কবিরহাটেও আমরা অনুরূপ পরিবেশ সৃষ্টি করবো। এগুলোর জবাব পরবর্তী নির্বাচনে আপনাকে দিতে হবে। পার পাওয়ার সুযোগ নেই।'