ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেছেন, বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ দুর্গোৎসবের আনন্দ উপভোগ করছেন। আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গাপূজা হচ্ছে। এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ঐতিহ্য '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে প্রতিফলিত করে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে মির্জাপুরে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার নিজ বাড়ির পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার এ কথা বলেন। এ সময় তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেওয়া উপহার লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স এবং আধুনিক চিকিৎসাসামগ্রী কুমুদিনী হাসপাতালে হস্তান্তর করেন।

এদিন বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে ভারতীয় হাইকমিশনার কুমুদিনী হাসপাতালে এসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান কুমুদিনী কল্যাণ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা।

এ সময় হাইকমিশনারের স্ত্রী সঙ্গীতা দোরাইস্বামী, হাইকমিশনের দ্বিতীয় সেক্রেটারি (পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি) দীপ্তি আলংঘাট, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান, কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আব্দুল হালিম উপস্থিত ছিলেন।

পরে কুমুদিনী লাইব্রেরিতে চা-চক্র শেষে বিক্রম দোরাইস্বামী কুমুদিনী হাসপাতাল পরিদর্শন করে ভারতেশ্বরী হোমসে যান। এখানে তিনি কুমুদিনী কল্যাণ সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী, হাসপাতালের চিকিৎসক নার্স এবং মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তৃতা করেন।

হাইকমিশনার তার বক্তব্যে জানান, অ্যাম্বুলেন্সটি আধুনিক জরুরি জীবন রক্ষাকারী যন্ত্রপাতি দিয়ে সজ্জিত। যা চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগামী রোগীদের জরুরি সেবা এবং ট্রমা লাইফ সাপোর্ট দেবে। করোনার পরও এটি এ দেশের মানুষের জন্য মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে।

ভারতীয় হাইকমিশনার লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্সের চাবি এবং চিকিৎসাসামগ্রী কুমুদিনী কল্যাণ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহার কাছে হস্তান্তর করেন। এরপর তিনি নৌকায় লৌহজং নদী পার হয়ে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির পূজামণ্ডপে যান। সেখানে তিনি পূজার আরতি অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং পূজারিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।