নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার মোমিনপুর গ্রামের বাড়ি থেকে শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে আব্দুর রাজ্জাক ওরফে কালু (৪০) নামে এক মুদি দোকানির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

এলাকাবাসী নিহতের স্ত্রী সালমা বেগমকে (৩৫) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে পুলিশ কালুর ছেলে হৃদয় (১৬) এবং নিহতের ভাই সেন্টুসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে গেছেন।

নলডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত আব্দুর রাজ্জাক মুদি দোকানের পাশাপাশি কৃষিকাজও করেন।  শুক্রবার রাত ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরে খাবার খেয়ে তিনি ঘুমাতে যান।  রাত দেড়টার দিকে স্ত্রী সালমা বেগম তার স্বামী মারা গেছে চিৎকার করতে থাকেন। তার চিৎকার শুনে পরিবারের লোকজনসহ প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আব্দুর রাজ্জাককে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। এসময় আব্দুর রাজ্জাকের রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে হইচই শুরু হয়। 

‘স্ত্রী সালমা বেগম তার স্বামীকে হত্যা করেছে’ এমন অভিযোগ এনে স্থানীয় লোকজন তাকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে।

ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত তার মৃত্যুর রহস্য জানা যায়নি। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলেই এর আসল রহস্য জানা যাবে। প্রাথমিক তদন্তকালে নিহতের গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু না শ্বাসরোধে হত্যা তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।  স্ত্রী-ছেলে ও ভাইদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক এবং পরিবারের লোকজনের তথ্যমতে মৃত্যুর কারন জানা গেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ 

এ ঘটনায় এখনও কেউ থানায় কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।  





বিষয় : নলডাঙ্গা উপজেলা মোমিনপুর মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য করুন