রাত পোহালেই শুরু বিশ্বকাপের ডামাডোল। মাসকটের আল আমেরাত স্টেডিয়ামে কাল বাংলাদেশের ম্যাচ দিয়েই পর্দা উঠবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসরের। উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড। এর আগে ওমান এবং পাপুয়া নিউগিনি নামবে দিনের উদ্বোধনী ম্যাচে।

তবে প্রথম রাউন্ডে নামার আগে দুশ্চিন্তায় আছে টাইগাররা। প্রস্তুতি ম্যাচে ওমান ‘এ’ দলের বিপক্ষে জিতলেও শ্রীলঙ্কা এবং আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে যায় বাংলাদেশ। ১৭৭ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ১৪৪-এ অলআউট হয় তারা।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে এমন পারফরম্যান্স ভাবাচ্ছে বাংলাদেশকে। জনাথন ট্রটের মতো অভিজ্ঞরা মনে করছেন এবারের বিশ্বকাপের জন্য নির্বাচিত স্কটিশ দল ম্যাচ উইনারে ভরা। অধিনায়ক কেলি কোয়েটজারের ২০০৯ ও ২০১৬ বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। রিচি বেরিংটন, ক্যালাম ম্যাকলিওড স্যাফিয়ান শেরিফ, ম্যাথু ক্রস, এলাসডিয়ার ইভান্স, জশ ডেভি, মিচেল লিয়াস্ক, জর্জ মুন্সি এবং মার্ক ওয়াটরা অভিজ্ঞ এবং বড় দলের বিপক্ষে ম্যাচ জেতাতে সক্ষম। 

সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার ট্রট জানালেন, 'বিশ্বকাপের স্কটল্যান্ড দলের ব্যাটিং লাইনআপ ম্যাচ উইনারে ভরা। আমার ধারণা দল হিসেবে ভালো খেললে বিশ্বকাপে চমক দেখাবে স্কটল্যান্ড।'

শক্তি সামর্থ্যের দিক দিয়ে স্কটিশদের চেয়ে ঢের এগিয়ে বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বেশ তাচ্ছিল্যই করলেন স্কটল্যান্ডের প্রধান কোচ শেন বার্জার। তার মতে, বাংলাদেশকে তিনি ওমান এবং পিএনজি'র মতই দেখেন।

স্কটল্যান্ডের কোচ বার্জারের মতে, নিজেদের দিনে যে কাউকে হারাতে পারে স্কটিশরা। তিনি বলেন, 'ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটটাতে নিজেদের দিনে প্রত্যকেই ফেভারিট। আমরা আমাদের সামর্থ্য সম্পর্কে জানি। আর, নিজেদের সেরাটা দিতে পারলে আমরা যে কোনো দলকে হারাতে পারি। সেটা হোক বাংলাদেশ, ওমান কিংবা পাপুয়া নিউগিনি।'

ক্রিকেটভিত্তিক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোকে শেন বার্জার বলেছেন, 'পাপুয়া নিউগিনি কিংবা ওমান থেকে বাংলাদেশকে আমরা বড় করে দেখছি না। আমরা জানি, প্রতিটা দলই আমাদের হারাতে চাইবে। আমরাই হতে যাচ্ছি তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ। আমরা প্রস্তুত এবং তৈরি আছি।'