চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বালুচরা এলাকার কাশেম কলোনির একটি ভবনে বিস্ফোরণে একজন নিহত হয়েছেন। এসময় দগ্ধ হয়েছেন আরও দুইজন। 

রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত হলেন-নগরের চকবাজারের ধানার বাপের বাড়ির রবিউল ইসলামের ছেলে মো. ফারুক। দগ্ধ অন্য দুজন হলেন- ফোরকান উল্যাহ ও কালাম। দগ্ধদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। 

বায়েজিদ বোস্তামী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার কবির হোসেন জানান, কাশেম কলোনির একটি তিনতলা ভবনের নিচ তলার একটি কক্ষে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ওই কক্ষ থেকে তিনজনকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ওই বাসায় বেশ কয়েকজন রাজমিস্ত্রী মেস করে ভাড়ায় থাকতেন।  

চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির এসআই নুরুল আলম আশেক জানান, তিনজনকে দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। দগ্ধদের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। ফোরকানের শরীরের ৪৫ শতাংশ ও কালামের শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বিস্ফোরণে দেয়াল ভেঙে পাশের কক্ষেও আরেকজন আহত হন। তাকে উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।  

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের পরিদর্শক আফতাব হোসেন সমকালকে বলেন, বাসায় গ্যাস জমে এ বিস্ফোরণ হয়েছে এটা নিশ্চিত। গ্যাস লাইন লিক হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির লোকজন দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান চালাচ্ছে।