ফরিদপুরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন জেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক এএইচএম ফোয়াদ। তিনি সাবেক মন্ত্রী ও ফরিদপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফের এপিএস।

গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ফরিদপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারুক হোসেন এ জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে আদালতের নির্দেশে ফরিদপুর জেলহাজতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ফোয়াদকে। দুই দফায় চার দিন রিমান্ড শেষে গতকাল বিকেলে ফোয়াদকে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল গফফার এ তথ্য জানিয়েছেন।

মানি লন্ডারিং, হত্যা মামলাসহ আটটি মামলার আসামি ফোয়াদকে গত ১২ অক্টোবর রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ফরিদপুরের গোয়েন্দা পুলিশ। পরের দিন তাকে ২০১৬ সালের ১২ জুলাই সংঘটিত ফরিদপুর শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড় এলাকায় ছোটন বিশ্বাস হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

ফরিদপুরের আলোচিত দুই ভাই শহর আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের বহিস্কৃত সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের বিরুদ্ধে ঢাকার সিআইডির দায়ের করা দুই হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিং মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি ফোয়াদ।

২০২০ সালের ১৬ মে রাতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। ১৮ মে সুবল সাহা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা করেন। ৭ জুন রাতে পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হয়। ওই রাতে ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফের শহরের বদরপুরের বাড়ি থেকে সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তখন গ্রেপ্তার এড়িয়ে পালিয়ে যান ফোয়াদ।